বিবিএ ইন এভিয়েশন ম্যানেজমেন্ট হলো বিমানবন্দর, এয়ারলাইন্স, এভিয়েশন হসপিটালিটি, বিমান ব্যবস্থাপনায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত চার বছরের অনার্স কোর্স। এখানে আট সেমিস্টার পড়াশোনা সম্পন্ন করে আপনি বিমানবন্দর অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, অপারেশন, এয়ারলাইন্স মার্কেটিং, অ্যাকাউন্টিং, ফাইন্যান্স, এয়ার হোস্টেস, বিমানবন্দরে যাত্রী সেবা, ই-কমার্স, সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট, বিমানবন্দরে কাস্টমস, ই-টিকিটিংসহ, জিডিএস প্রোগ্রামে বিসিএস, সরকারি ও বেসরকারি সেক্টরে কাজ করতে পারবেন।
এখানে বিবিএর ৬০ ক্রেডিট পড়ানো হয় যা আপনাকে ব্যাংক, মোবাইল অপারেটর কোম্পানি, বীমা, বিক্রয় ও বিপণন, বিসিএস, সরকারি ও বেসরকারি সেক্টরে সব ধরনের চাকরি পেতে সুযোগ দেবে।
ব্যবসায় শিক্ষা, মানবিক অথবা বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এ বছর বা পূর্ববর্তী বছর এইচএসসি পাস করা শিক্ষার্থীর বিবিএ এভিয়েশন ম্যানেজমেন্ট অনার্স কোর্সে আবেদন করতে পারবেন। এইচএসসিতে ন্যূনতম ৩.৫০ জিপিএ থাকতে হবে। আগ্রহী প্রার্থীর এইচএসসিতে অ্যাকাউন্টিং, ম্যানেজমেন্ট, অর্থনীতি, ফিনান্স, ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্সুরেন্স, মার্কেটিং, পরিসংখ্যান অথবা উচ্চতর গণিতের মধ্যে যেকোন একটি বিষয়ে ন্যূনতম ৩.০০ থাকতে হবে।
কলেজ অব এভিয়েশন টেকনলোজি হতে পারে আপনার সেরা পছন্দ। এই কলেজে চট্টগ্রাম থেকে পড়তে আসা আরিফা আক্তার বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই মনে স্বপ্ন ছিল এয়ারলাইন্সে কাজ করার। তাই এখান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজেকে প্রস্তুত করেছি এবং বর্তমানে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স এ কাজ করছি।’ অস্ট্রেলিয়ার ক্যানটাস এয়ারে কর্মরত মনসুর আহমেদ মনে করেন তিনি এখানে ভর্তি হওয়ার পর নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি এখন বিশ্বের অন্যতম একটি প্রথম সারির এয়ারলাইন্স-এ কাজ করছেন।বিস্তারিত জানতে ০১৯২৬৯৬৩৬৫৩ নম্বরে যোগাযোগ করুন।
প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে প্রযুক্তি ও প্রকৌশলে বিদ্যমান বিভিন্ন বিষয়ের সঙ্গে সমপ্রতি যুক্ত হয়েছে বেশকিছু বিষয়। এর মধ্যে অন্যতম হলো, বিএসসি ইন অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। প্রকৌশল বিদ্যায় এ বিষয়ে এয়ারক্রাফটের বিভিন্ন যন্ত্রাংশের নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে হাতেকলমে ধারণা দেওয়া হয়ে থাকে।