ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের চারপাশ ঘিরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১টি শিল্পকর্ম। এসব শিল্পকর্মের প্রতি দুইটির মাঝখানে একটি উক্তি। রাজু ভাস্কর্যের চারপাশে এমনসব চিত্রকর্ম দিয়ে সাজিয়েছেন কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর কলেজের ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. হৃদয় মিয়া।
বঙ্গবন্ধুর ১০১তম জন্মদিবসে ১০১টি চিত্রকর্ম দিয়ে সাজিয়েছেন তার এ প্রদর্শনী। প্রদর্শনীর শিরোনাম দেয়া হয়েছে 'বঙ্গবন্ধুকে জানলে জানা যাবে বাংলাদেশকে।'
হৃদয়ের চিত্রকর্মের ফাঁকে ফাঁকে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গবন্ধু সংশ্লিষ্ট বাণী রয়েছে অসংখ্য। সেখানে লেখা আছে, শেখ মুজিব মানেই বাঙালি জাতির অস্তিত্ব, মুজিব মানেই মুক্তি, মুজিব মানই আমার শক্তি, শেখ মুজিব মানেই বাঙালির অবিরাম মুক্তি সংগ্রাম, দীপ্ত শপথ মুজিব বর্ষে আমরা যাবো সবার শীর্ষে প্রমুখ স্লোগান।
জানতে চাইলে হৃদয় মিয়া জানান, প্রথমে তিনি ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতার সমাধির পাশেই চিত্রকর্ম আঁকতে যান। কিন্তু সেখানে মানুষের ভিড় বেশি থাকায় সেখান থেকে চলে আসেন রাজু ভাস্কর্যে। সেখানে সকাল থেকে নিজের চিত্রকর্ম দিয়ে সাজাতে ভাস্কর্যের চারপাশ সাজাতে থাকেন তিনি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের চারপাশ ঘিরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১টি শিল্পকর্ম। ছবি: ইত্তেফাক
কেন এমন উদ্যোগে এমন প্রশ্নে হৃদয় মিয়া বলেন, বঙ্গবন্ধুর প্রতি ভালোবাসা থেকে এ চিত্রকর্ম ও বাণী প্রচারের কাজ করছি। মানুষজন বঙ্গবন্ধুকে দেখে জানবে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করবে, এই প্রত্যাশা।
চিত্রকর্ম আকার বিষয়ে তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকে নিজেই ছবি আঁকা শিখেছি। তখনই বঙ্গবন্ধুর ভাষণ তখন থেকেই শুনতাম। তখনই বঙ্গবন্ধুর ছবি আঁকার মোহ তৈরি হয়।
এসব চিত্র আঁকার বিষয়ে তিনি বলেন, মুজিববর্ষে বঙ্গবন্ধুর ১ হাজার ছবি আঁকার লক্ষ্যে ছিলো। এ পর্যন্ত আমি আড়াইশত ছবি এঁকেছি। তার মধ্যে এক শত ছবি এখানে প্রদর্শনী হিসেবে দেয়া হয়েছে।
প্রাপ্তি নিয়ে তিনি বলেন, আমাকে দেখুক আর না দেখুক, আমার ছবিগুলা মানুষ দেখছে, এটা দেখেই আমি সন্তুষ্ট।
ইত্তেফাক/এমএএম