গৌরীপুরে ভূতুড়ে বিদ্যুত্ বিল থেকে গ্রাহকের মুক্তি

গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা

৯ লক্ষাধিক টাকার ভূতুড়ে বিদ্যুত্ বিল থেকে মুদি দোকানি হেলাল উদ্দিনকে অব্যাহতি দিয়েছে বিদ্যুত্ বিভাগ। ‘মুদি দোকানির এক মাসের বিদ্যুত্ বিল ৯ লাখ ২৪ হাজার ৩২৭ টাকা’ শিরোনামে দৈনিক ইত্তেফাকে অতিসম্প্রতি একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পরিপ্রেক্ষিতে বিদ্যুত্ বিভাগ থেকে একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত টিম বিদ্যুত্ গ্রাহকদের সঙ্গে কথা বলতে ও ঘটনা সম্পর্কে জানতে গত মঙ্গলবার ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার কোনাপাড়া গ্রামে যায়। পাঁচ সদস্যের এই তদন্ত টিমে ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (পরিচালন ও সংরক্ষণ সার্কেল-১) মো. উবাইদুল ইসলাম, অতিরিক্ত পরিচালক (বাণিজ্যিক পরিচালন) মো. শেখ আব্দুল গফুর, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিবিধ-৩) প্রকৌশলী মো. মোফাজ্জল হোসেন খান, এনার্জি এডিটিং ইউনিট সহকারী প্রকৌশলী কৌশিক ভদ্র ও গৌরীপুরের আবাসিক প্রকৌশলী নিরঞ্জন কুণ্ডু। তদন্ত টিমের কাছে গ্রাহকরা ভূতুড়ে বিদ্যুত্ বিলসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। একই দিন বাংলাদেশ বিদ্যুত্ উন্নয়ন বোর্ড, ময়মনসিংহের বিতরণ কেন্দ্রীয় অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলীর কার্যালয়ে বিদ্যুত্ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে গ্রাহকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভায় মুদি দোকানি হেলাল উদ্দিনের ভূতুড়ে বিল প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন কর্তৃপক্ষ।

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ বিদ্যুত্ উন্নয়ন বোর্ড ময়মনসিংহের বিতরণ কেন্দ্রীয় অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, বিদ্যুত্ বিভাগ মানুষের সেবা দিয়ে যাচ্ছে। প্রত্যেক গ্রাহক সম্মানিত, তাদের কোনোরূপ হয়রানি করা চলবে না।

অন্যদিকে গৌরীপুর উপজেলা পূজা উদ্যাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কর বলেন, আমরা বিদ্যুত্ ব্যবহার করব, নিয়মিত বিলও পরিশোধ করব। অসদুপায়ে বা চুরি করে কেউ বিদ্যুত্ ব্যবহার করলে তাকে ধরিয়ে দেওয়ার দায়িত্বও আমাদের।

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিদ্যুত্ উন্নয়ন বোর্ড, ময়মনসিংহের বিতরণ কেন্দ্রীয় অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (পরিচালন ও সংরক্ষণ সার্কেল ২) মো. হাবিবুর রহমান, তদন্ত টিমের সদস্যগণ, ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. বাবুল হোসেন, গৌরীপুরের সাংবাদিক মো. রইছ উদ্দিন প্রমুখ।