পরিতাপের বিষয়—বেশিরভাগ ফ্লাইওভারের নিচের অংশ পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে আছে। যার ফলে সেখানে আড্ডা হচ্ছে ইয়াবা ব্যবসায়ী, মাদক ব্যবসায়ী, মাদকাসক্তদের। রাত-বিরাতে চলে দেহব্যবসা। তাছাড়া যে কোনো ধরনের অনৈতিক কাজ করার জন্য একদম উপযুক্ত জায়গা এসব ফ্লাইওভারের তলদেশ। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এসব জায়গা হয়ে দাঁড়ায় আরো বেশি ভয়ংকর, ঘটে ছিনতাই। কিছু কিছু ফ্লাইওভারের তলদেশে সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য লাগানো হয় গাছ। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, যেখানে সূর্যের আলো প্রবেশ করতে পারে না সেখানে গাছ কীভাবে বড় হবে? গাড়ির হাইড্রোলিক হর্নে মানবকর্ণ পর্যন্ত বধির হয়ে যায়, সেখানে উদ্ভিদের বেঁচে থাকা অসম্ভব। আর চারদিকের ধুলোবালি তো আছেই। তাই বলা যায় ফ্লাইওভারের নিচে গাছ লাগানো নিছক লোকদেখানো ছাড়া আর কিছুই নয়! অর্থাত্ বলা যায়, ফ্লাইওভারের নিচে গাছ না লাগিয়ে, পরিত্যক্ত ফেলে না রেখে সেখানে স্টল বানিয়ে দেওয়া উচিত। এতে অনেকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে এবং এসব দোকানের ভাড়া সরাসরি সরকারি কোষাগারে জমা হবে।
মুন্সী মুহাম্মদ জুয়েল
দর্শন বিভাগ, চট্টগ্রাম কলেজ