আমি কারো রক্তচক্ষুকে ভয় করি না ----আবদুল কাদের মির্জা

বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেন, ‘আমি কারো রক্তচক্ষুকে ভয় করি না। এ উপজেলায় যত ঘটনা ঘটেছে, তার জন্য ঢাকা থেকে বিচার বিভাগীয় তদন্ত, ডিজিএফআই ও এনএসআইকে তদন্ত করতে হবে। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) মামলার তদন্ত করতে দেওয়া হয়েছে। নোয়াখালীর পুলিশ সুপার পিবিআইকে প্রভাবিত করে মামলাগুলো ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করছেন।’ গতকাল বুধবার বেলা ১১টায় বসুরহাট বাজারের বঙ্গবন্ধু চত্বরে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে বঙ্গবন্ধুর               জন্মবার্ষিকীতে ফুল দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা কাদের বলেন, ‘আজকে এখানে যে ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত চলছে তা একতরফা। আমরা আদালতে গিয়ে মামলা করেছি, এক জন আসামিও গ্রেফতার হয়নি। আমরা থানায় মামলা দিয়েছি, আমাদের মামলা নেয়নি। অথচ গত কয়েক দিনে আমাদের ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ ও দাঙ্গা পুলিশ।’ মির্জা কাদের আরো বলেন, ‘আমি কোনো বাটপার নেতার পেছনে রাজনীতি করব না। আমি রাজনীতি করব শেখ হাসিনার উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের।’

মির্জা কাদের বলেন, ‘আজকে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর সব অনুষ্ঠান প্রজ্ঞাপন জারি করে জেলা প্রশাসক বন্ধ করে দিয়েছে। এটা পৌরসভার বিরুদ্ধে, এটা দলের বিরুদ্ধে, আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। বসুরহাট বাজারে ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদদের বাড়িতে ডিবি পুলিশ ও কোম্পানীগঞ্জ থানার পুলিশ হানা দিচ্ছে।’ মির্জা কাদের আরো বলেন, ‘আমাদের কোম্পানীগঞ্জের কৃতী সন্তান যিনি, এই কোম্পানীগঞ্জের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলেন, তিনি হলেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। এ কথাগুলো বললেও আমার অপরাধ।’

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসক, নোয়াখালীর যেসব ডিবির ওসি, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার ভূমি, কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি, (ওসি তদন্ত) তাদের প্রক্যেককে কোম্পানীগঞ্জ থেকে প্রত্যাহার করার দাবি জানান তিনি। উল্লেখ্য, বসুরহাট বাজারে বঙ্গবন্ধু চত্বর, রূপালী চত্বর, কোম্পানীগঞ্জ থানার সামনে র্যাব, ডিবি পুলিশ, অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।