বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন

নিউ ইয়র্ক ও নিউ জার্সি স্টেট সিনেটে প্রস্তাব পাশ

আগামী ২৬ মার্চ বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি হচ্ছে। স্বাধীনতার এই সুবর্ণজয়ন্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট এবং নিউজার্সি স্টেট সিনেট ও অ্যাসেম্বলিতে প্রস্তাব পাশ হয়েছে। এতে বাঙালির স্বাধীনতার আন্দোলনে নেতৃত্বদানের জন্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মুক্তিযুদ্ধে বীর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়। নিউ ইয়র্কে মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও বিশ্বজিত সাহার প্রস্তাবনায় নিউ ইয়র্ক স্টেট সিনেটর জন ল্যু সিনেটে প্রস্তাবটি উত্থাপন করলে ২৬ মার্চকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে স্টেট ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এখন থেকে দিনটিকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে উদ্যাপন করবে নিউ ইয়র্ক স্টেট। ইতিপূর্বে আলবেনিতে         দিবসটি পালিত হলেও এই প্রথম সিনেটে আইন হিসেবে দিনটি অন্তর্ভুক্ত হলো। এর আগে ২৫ সেপ্টেম্বরকে ‘বাংলাদেশি ইমিগ্র্যান্ট ডে’ বা ‘বাংলাদেশি অভিবাসী দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে এই আইনসভা।

এদিকে নিউজার্সি স্টেট সিনেট এবং জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে মুজিববর্ষ এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে যৌথভাবে পাশ হওয়া রেজ্যুলেশনে বাংলাদেশি-আমেরিকান এবং বাংলাদেশের মানুষকে অভিনন্দন জানানো হয়। একই সঙ্গে বাঙালি জাতিকে স্বাধিকার প্রদানে বিচক্ষণতাপূর্ণ নেতৃত্ব এবং সদ্য স্বাধীন দেশটিকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে আত্মনিয়োগকারী বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়। যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি, নিউজার্সির প্লেইন্সবরো টাউনশিপের কাউন্সিলম্যান ও একুশে পদকপ্রাপ্ত লেখক ড. নুরুন নবীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই রেজ্যুলেশন পাশ হয়। দীর্ঘ সংগ্রামে নেতৃত্ব প্রদানের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভাবনাকে বাস্তবায়িত করতে আত্মনিয়োগ করেছিলেন এবং ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পর্যন্ত তা সঠিকভাবে এগিয়ে চলছিল বলে রেজ্যুলেশনে উল্লেখ করা হয়েছে। সেই চেতনায় বর্তমানে তারই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ তার স্বাধীনতার ৫০তম বার্ষিকী উদ্যাপন করছে। স্টেট সিনেটর লিন্ডা এম গ্রিনস্টাইন রেজ্যুলেশনটি গত ৫ মার্চ বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. নূরুন নবীর কাছে হস্তান্তর করেন।