ইত্তেফাক রিপোর্ট
শিল্প ও ব্যবসাবান্ধব ভ্যাট নির্ধারণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ আয়রন অ্যান্ড স্টিল ইম্পোর্টারস অ্যাসোসিয়েশন। আসন্ন বাজেটকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনায় মঙ্গলবার সংগঠনটি এ দাবি জানায়। সংগঠনটির সভাপতি আবুজর গিফারী জুয়েল এবং সহসভাপতি আমীর হোসেন নুরানী আলোচনায় অংশ নিয়ে বলেন, আয়রন অ্যান্ড স্টিল সিট ইম্পোর্টাররা দীর্ঘদিন যাবত্ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহত্ শিল্পের কাঁচামাল আমদানি করে আসছি। এ বিশাল শিল্পের সঙ্গে প্রায় ১ কোটিরও বেশি লোক জড়িত রয়েছে। আমরা বাণিজ্যিক আমদানিকারকরা দেশীয় শিল্পকারখানার মোট চাহিদার ৯৫ শতাংশ কাঁচামাল ও অবকাঠামো শিল্পের শতভাগ কাঁচামাল আমদানি করে ভ্যাট ও ট্যাক্স দিয়ে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছি। আসন্ন বাজেটকে সামনে রেখে ১৬ দফা দাবি জানানো হয় সংগঠনটির পক্ষ থেকে। তাদের দাবিগুলো হলো—২০২১-২০২২ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে লৌহশিল্পের কাঁচামাল এইচএস কোড ৭২১০.৩০.০০, ৭২১০.৪৯.৯০, ৭২১০.৭০.৯০, ৭২১০.৬১.৯০, ৭২১০.৯০.০০-এর পণ্যগুলোর শুল্কহার ২৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ করতে হবে। ভ্যালুয়েশন রুল ২০০০ অনুসারে উপরোক্ত এইচএস কোডভুক্ত পণ্যের সব দেশ থেকে আমদানির ক্ষেত্রে ইনভয়েস ভ্যালুতে শুল্কায়ন, আমদানি পর্যায়ে বন্ড ও ট্যাক্স-সুবিধা বন্ধ করে উত্পাদনের পর বিপণন পর্যায়ে ট্যাক্স-সুবিধা প্রদান, লৌহশিল্পের ক্ষেত্রে ছোট ট্রেডার্সের জন্য প্যাকেজ ভ্যাট ও বড় ট্রেডার্সের ক্ষেত্রে টনপ্রতি ১৫০ টাকা, আমদানি পর্যায়ে অগ্রিম ট্রেড ভ্যাট ৫ শতাংশ প্রত্যাহার, রেয়াত ও রিটার্নের ব্যবস্থা সহজীকরণ, বাণিজিক আমদানিকারকের ক্ষেত্রে প্রতি বছর প্রত্যয়নপত্র প্রদান। দেশের ক্ষুদ্র, মাঝারি ও কুটিরশিল্পকে রক্ষা করার স্বার্থে প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়ন করে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি ও লাখ লাখ শিল্পকারখানা টিকিয়ে রাখার সংগঠনটি এনবিআরের দৃষ্টি আর্কষণ ও সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।