যথাস্থানে অবশ্যই চিহ্নিত চিত্র সন্নিবেশিত করতে হবে

জীববিজ্ঞান

মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন

সিনিয়র শিক্ষক

দুলালপুর এস.এম.এন্ড কে. উচ্চ বিদ্যালয়

ব্রাহ্মণপাড়া, কুমিল্লা।    

প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা,  তোমরা জানো, জীব বিজ্ঞান বিষয়ে মোট নম্বর (৫০+২৫)= ৭৫ এবং ব্যবহারিক ু ২৫ নম্বর। ৭৫ -এর মধ্যে সৃজনশীল (রচনামূলক) অংশ ৫০ নম্বর এবং বহুনির্বাচনি- ২৫ নম্বর থাকবে। সম্পূর্ণ সিলেবাস হতে মোট ৯ টি সৃজনশীল প্রশ্ন থাকবে যার মধ্য থেকে ৫টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। প্রত্যেক প্রশ্নের মান ১০। জীববিজ্ঞানে ভাল ফলাফলের আশা করলে যথাস্থানে অবশ্যই চিহ্নিত চিত্র সন্নিবেশিত করতে হবে। পাঠ্য বইয়ে যে সকল চিত্র আছে সেগুলো একটু আয়ত্ত করবে। চিত্র কাঠ পেন্সিল দিয়ে আঁকতে চেষ্টা করবে।। চিত্র অঙ্কনে যেন বেশি সময় ব্যয়  না হয় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। তোমাদের জীববিজ্ঞান বইয়ের জীবনীশক্তি, জীবে পরিবহন, গ্যাসীয় বিনিময়, রেচন প্রক্রিয়া, জীবের প্রজনন ও জীবপ্রযুক্তি অধ্যায়গুলো সৃজনশীলের জন্য বেশি গুরুত্ব দিয়ে পড়বে। তুমি কিভাবে শুরু করবে এবং কিভাবে শেষ করবে, তার ছক করে নিলে পরীক্ষা অনেক সহজ হয়ে যাবে। প্রশ্নের মান ও নম্বর অনুযায়ী কতটুকু লিখতে হবে, তা নির্ধারণ করেই লেখা শুরু করতে হবে। একটি রচনামূলক প্রশ্নের জন্য সাধারণত ১৫ থেকে ২০ মিনিটের বেশি সময় নেওয়া উচিত নয়। আর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তরের জন্য ৫-৬ মিনিট বরাদ্দ রেখে লিখতে পারলে ভালো হয়। তবে এটি নির্ভর করবে প্রশ্নের মানের ওপর। আবার বহুনির্বাচনি প্রশ্নে তিন ধরনের মোট ২৫ টি প্রশ্ন থাকবে। এর মধ্যে জ্ঞানমূলক ,বহুপদী সমাপ্তিসূচক এবং অভিন্ন তথ্যভিত্তিক প্রশ্ন থাকবে। প্রশ্নপত্র হাতে পাওয়ার পর পুরো প্রশ্নটি মনোযোগ দিয়ে পড়বে। প্রশ্নপত্র দেখে মনে মনে পুরো পরীক্ষার পরিকল্পনা করবে। যেসব প্রশ্নের উত্তর ভালো জানো সেগুলোর মধ্য হতে ভালো জানা প্রশ্নটি দিয়ে উত্তরপত্রে লিখা শুরু করবে। কারণ পরীক্ষক যখন খাতা মূল্যায়ন করবেন তখন শুরুতেই লেখার মান ভালো দেখলে শিক্ষার্থীর প্রতি ইতিবাচক ধারণা আসবে। এতে ওই বিষয়ে ভালো নম্বর পাওয়া সহজ হবে। তুলনামূলক সহজ ও জানা প্রশ্নের উত্তর পর্যায়ক্রমে অর্থাত্ পরপর লেখাই ভালো। ভালো নম্বর পেতে হলে কাটাছেঁড়া, অস্পষ্ট লেখা পরিহার করতে হবে।