ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন ও তার অনুসারীদের ওপর হামলা করেছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহমেদ ও তার অনুসারীরা। হামলার পর শহীদ মিনার এলাকায় পূর্বঘোষিত ছাত্রলীগের কর্মসূচি করতেও দেয়নি জুবায়ের।
শুক্রবার (১৯ মার্চ) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথিদের শুভেচ্ছা জানিয়ে আনন্দ র্যালি ও সমাবেশের কর্মসূচিতে এ হামলা হয়। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনের ১০ জন অনুসারী আহত হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাদ্দাম হোসেনের কয়কজন অনুসারী বলেন, শহীদ মিনার এলাকা জুবায়ের আহমেদের কর্মী দিয়ে ভরপুর। অন্যদিকে সাদ্দাম হোসেনের ২৫-৩০ জন নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলো। তারা সবাই জুবায়ের আহমেদের নেতা-কর্মীদের দ্বারা হামলার শিকার হয়।
তারা জানান, হামলার পর তারা শহীদ মিনারে থাকা রাষ্ট্রীয় অতিথিদের ছবি সহ ফেস্টুন-প্লেকার্ড ছিড়ে ফেলে। সাউন্ড সিস্টেম ভেঙে ফেলে।
ঘটনার বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বলেন, তারা (মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গায়ে হাত তুলেছে। শহীদ মিনারের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করেছে। সাউন্ড সিস্টেম ধ্বংস করেছে তথা সাংগঠনিক নিয়ম লঙ্ঘণ করেছে। আমরা কেন্দ্রকে বিষয়টি অবহিত করেছি। আশা করবো তারা দোষীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিবে।
তবে হামলার বিষয়টি অস্বীকার করেন মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক যুবায়ের আহমেদ। তিনি বলেন, আমি স্লোগান দেওয়ার জন্য সাউন্ড বক্স বন্ধ করতে বলেছিলাম। সাউন্ড বক্স বন্ধ করার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দু'জন ছেলে এসে তাদের সাথে বাজে ব্যবহার করেছে। পরে আমি একটু বন্ধ রাখতে বললে আমাকে আঘাত করে। তখন আমি তাদের সরিয়ে দেই।
ঘটনার বিষয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, আমরা ঘটনাটি শুনেছি। খোঁজ-খবর নিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ইত্তেফাক/এসজেড