স্পোর্টস রিপোর্টার
কলকাতায় আই লিগ খেলে ঢাকায় ফিরেছেন বাংলাদেশের ফুটবলার জামাল ভুঁইয়া। জামাল ভুঁইয়া ফুটবলের গত মৌসুমে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবে খেলেছিলেন। এবারও তিনি সাইফেই খেলবে। সাইফ স্পোর্টিং থেকে জামালকে নিয়েছিল কলকাতার মোহামেডান। সেই ক্লাব জামালকে ঢাকায় পাঠিয়ে সাইফকে চিঠি দিয়েছে। সাইফ স্পোর্টিংয়ের এমডি নাসির চৌধুরী জানিয়েছেন কলকাতা মোহামেডান আমাদের কাছ থেকে জামাল ভুঁইয়াকে নিয়েছিল। তারা আমার কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে। জামাল, মোহামেডান এবং সাইফের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি ছিল। সেই অনুসারে জামাল আমাদের ক্লাবে ফিরে আসার কথা। মোহামেডান আমাদেরকে চিঠি পাঠিয়ে নিশ্চিত করেছে জামালকে পাঠিয়েছেন তারা।’
প্রিমিয়ার লিগ ফুটবলের প্রথম পর্ব শেষ। এখন মধ্যবর্তী দলবদল চলছে। দেশি-বিদেশি খেলোয়াড়দের রেজিস্ট্রেশন চলবে। জামাল লিগের ফিরতি পর্বে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবেই খেলবে এমনটি জানিয়েছেন ক্লাবকর্তা নাসির চৌধুরী। তিনি বলেন,‘আমরা জামালকেই নিচ্ছি।’
প্রিমিয়ার লিগে জামালকে ছাড়া সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব চতুর্থ স্থানে রয়েছে, ১২ খেলায় (৭ জয়, ১ ড্র, ৪ হার) ২২ পয়েন্ট। জামালের উপস্থিতি দলকে আরো উজ্জীবিত করবে, এমনটা মনে করছেন ক্লাব কর্মকর্তারা। কারণ দলে একমাত্র সিনিয়র হচ্ছেন জামাল। সে মাঠে থাকলে খেলোয়াড়রাও বাড়তি প্রেরণা পায়। নাসির উদ্দিন চৌধুরী বললেন, ‘জামাল হচ্ছে দলের রোল মডেল। খুবই পেশাদার। তার আচার-আচরণ, অনেক কিছুই শেখার মতো। আমাদের দলে যেসব জুনিয়র ফুটবলার আছেন তাদের জন্য বাড়তি পাওয়া হচ্ছেন জামাল। জামালের পারফরম্যান্সের চেয়ে তার ব্যবহার অনেক ভালো। এসব অভাব যাদের আছে তারা ফুটবল হতে ঝরে পড়ছে।’ আশঙ্কার কথাই শোনালেন এই কর্মকর্তা।
উদাহরণ দিয়ে নাসির উদ্দিন চৌধুরী বললেন, ‘রবিউল, হেমন্ত, জাহিদসহ এমন অনেক ফুটবলার আছেন যারা একটু সচেতন হলে দেশের ফুটবলে অনেক কিছুই দিতেই পারতেন। তারা উজ্জ্বল ক্যারিয়ারের অধিকারী হয়েও নিজেকে ঢেলে দিতে পারেননি।’ তিনি বলেন, ‘জাহিদ ২০১৫ সালে চট্টগ্রামে শেখ কামাল টুর্নামেন্টে চট্টগ্রাম আবাহনীকে একাই চ্যাম্পিয়ন করিয়েছিলেন জাহিদ। অথচ এই ছেলেটিকে কেউ মনে রাখছে না। কারণটা কি। পেশাদার হতে হয়। আচরণ সুন্দর হতে হয়। এখানেই জামাল অনুকরণীয়।’