সিরাজগঞ্জের তাড়াশে গুল্টা বাজার শহিদ এম মনসুর আলী ডিগ্রি কলেজের এক উড়াঁও ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক গৃহশিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অপর আরেকটি ধর্ষণের ঘটনায় ছয় বছরের এক শিশু সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব ২৫০ শয্যা হাসপাতালে কাতরাচ্ছে। বিষয় দুটি নিশ্চিত করেছেন তাড়াশ থানার ওসি ফজলে আশিক। তিনি ইত্তেফাককে বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে ঐ ছাত্রীর বাবা ও মা বাজারে চা বিক্রি করছিলেন। কিন্তু তাদের মেয়েটি বাড়িতে একাই ছিল। এমন সময় গুল্টা গ্রামের মৃত জাফর মোল্লার ছেলে গৃহশিক্ষক আবু ছাইদ মোল্লা (৩৮) ঐ ছাত্রীর ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনার বর্ণনা দিয়ে শুক্রবার সকালে মেয়েটির বাবা তাড়াশ থানায় মামলা করেছেন। ওসি আরো বলেন, ভিকটিম উড়াঁও কলেজছাত্রীর মেডিক্যাল পরীক্ষার প্রস্তুতি চলছে।এদিকে শুক্রবার সকালে ছয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে তাড়াশ থানায় মামলা করেছেন ঐ শিশুটির বাবা। কিন্তু ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে গত মঙ্গলবার সকালে উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের একটি গ্রামে। এ ঘটনার পর থেকে ধর্ষক ঐ গ্রামের মোমিন কবিরাজের ছেলে নাইম শেখ (২০) পলাতক রয়েছে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানিয়েছেন, ধর্ষক নাইম শেখ ঐ শিশুটির আপন চাচাতো ভাই। চকলেট কিনে দেওয়ার কথা বলে নির্জন স্থানে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে সে। ধর্ষণের পর থেকে রক্তক্ষরণের কারণে শিশুটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব ২৫০ শয্যা হাসপাতালের চিকিত্সক ফরিদুল ইসলাম জনিয়েছেন, শিশুটি শঙ্কামুক্ত নন।
শ্রীপুর (গাজীপুর) সংবাদদাতা জানান, গাজীপুরের শ্রীপুরে বান্ধবীর বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক গৃহবধূ। গত ১৮ মার্চ রাতে উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শ্রীপুর থানা পুলিশ দুই ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে। জানা গেছে, গাজীপুর জেলার গাছার গৃহবধূ (১৬) তার এক আত্মীয়কে নিয়ে একই জেলার শ্রীপুর থানার এমসি বাজার এলাকায় তার বান্ধবী রিয়া আক্তারের ভাড়া বাড়িতে বেড়াতে আসে। বৃহস্পতিবার রাতে ঐ বাড়ির ম্যানেজার দুদু (৪৫) ও বাবুল মিয়া (৪৮) বাড়িতে রিয়া আক্তারের কক্ষে ঐ গৃহবধূকে আটক রাখে। পরে উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের ধামলই গ্রামের মজনু মিয়ার পুত্র সুজন, মুলাইদ এলাকার মুন্না ম্যানেজারদ্বয়ের সহযোগিতায় গৃহবধূকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং রিয়ার ঘর থেকে প্রায় দেড় লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার ও মোবাইল ফোন চুরি করে নিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ধর্ষণের শিকার নারী ও তার বান্ধবী শ্রীপুর থানায় মামলা করলে পুলিশ সুজন ও বাবুলকে গ্রেফতার করে। শ্রীপুর থানার ওসি অপারেশন গোলাম সারোয়ার জানান, সুজন ও বাবুলকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।