মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর চতুর্থ দিনের অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার সঙ্গে ছিলেন ছোট বোন শেখ রেহানা। গতকাল শনিবার জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজনের থিম ছিল ‘তারুণ্যের আলোকশিখা’। অনুষ্ঠানে লোকজ ও দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেছেন কণ্ঠশিল্পীরা। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পান্থ কানাই, সাব্বির, কোনাল, কনা প্রমুখ। গানের তালে ছিল নাচও।
দর্শক সারিতে থাকা প্রধানমন্ত্রী ও তার বোন হাততালি দিয়ে কণ্ঠশিল্পীদের পরিবেশনার প্রশংসা করেছেন। তাদের পাশে ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূর। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী ও অভিনেত্রী জয়া আহসান।
গত ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ১০১তম জন্মদিনে শুরু হয় ‘মুজিব চিরন্তন’ শীর্ষক মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপনের অনুষ্ঠান। আগামী ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস পর্যন্ত প্রতিদিন সন্ধ্যায় থাকছে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। জাপানের দুই সংগীতশিল্পীর কণ্ঠে ‘এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি’ গান শুনে মুগ্ধ হন প্রধানমন্ত্রী। জাপানের দুই সংগীতশিল্পীর কণ্ঠে দেশের গানের পর চঞ্চল চৌধুরীর সঙ্গে মঞ্চে আসেন জাতীয় নারী দলের পেসার জাহানারা আলম। উপস্থাপনার পাশাপাশি তারা বঙ্গবন্ধুর লেখা বইয়ের ওপর আলোচনা করেন।