জাপানের রাষ্ট্রদূত নাওকি আইটিও বলেছেন, করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে তার দেশ বাংলাদেশে আরো বিনিয়োগ করবে। তিনি গতকাল রবিবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত্কালে একথা বলেন। তিনি বলেন, ‘করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার পর জাপান বাংলাদেশে আরো বিনিয়োগ করবে।’ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইসসানুল করিম বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়ার পর জাপান ও বাংলাদেশ যৌথভাবে তিনি এটি পরিচালনা করতে চান। কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতেও মাতারবাড়ি প্রকল্পের কাজ চলছে বলে প্রধানমন্ত্রীকে জানান জাপানি রাষ্ট্রদূত। তিনি আরো বলেন, মাতারবাড়ি একটি শিল্পকেন্দ্র হবে এবং এটি বাংলাদেশের ভাগ্য বদলে দেবে। এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘মাতারবাড়ি প্রকল্পটি চালু হলে এটি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিরাট অবদান রাখবে।’ জাপানি রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রীকে আরো জানান, নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার অর্থনৈতিক অঞ্চল আগামী বছরের মধ্যে উত্পাদনে যাবে। তিনি আরো বলেন, মীরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল হবে জাপানের দ্বিতীয় বৃহত্তম একটি অঞ্চল। রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রীর কাছে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর একটি বার্তা হস্তান্তর করেন। তিনি ১৯৭৩ সালে জাপানে জাতির পিতার সফরের ওপর নির্মিত ‘ওয়েলকাম বঙ্গবন্ধু (১৯৭৩)’ শিরোনামে একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি হস্তান্তর করেন।
জাপানে বঙ্গবন্ধুর সফরের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার ছোট বোন শেখ রেহানা এবং ছোটো ভাই শেখ রাসেল বাবার সঙ্গে ছিলেন। শেখ হাসিনা বার্তা ও ভিডিও ডকুমেন্টারি পাঠানোর জন্য জাপানের প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। এর আগে বিরোধী নেতা হিসেবে ’৯০ সালে জাপান সফরের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাপান তার কাছে স্বপ্নের ভূমি ছিল।