বেড়িয়ে আসুন মনোরম দৃশ্যমাখা ‘সোহাগপল্লী’

 মো. আমিরুজ্জামান

 

ছিমছাম, নিরিবিলি পরিবেশ। গজারি বনের মাঝে মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতো বিনোদন কেন্দ্র। বলছি, সোহাগপল্লী পিকনিক, শুটিং স্পট অ্যান্ড রিসোর্ট সেন্টারের কথা। ঢাকা থেকে ৫৯ কিলোমিটার দূরে চন্দ্রা থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে উত্তর-পূর্বদিকে কালামপুরে অবস্থিত রিসোর্টটি সকলের নজর কাড়ছে।

গাজীপুরের চন্দ্রা চৌরাস্তা থেকে আঁকাবাঁকা পিচঢালা পথে যেতে হয় সেখানে। শহরের কোলাহল ও যান্ত্রিক সভ্যতার একটু নিরিবিলি খোঁজার আশায় আসেন লোকজন। এখানে থাকার জন্য রয়েছে নান্দনিক কয়েকটি কটেজ। মালতি, রোজ, লোটাস ও চম্পা নামের এসব কটেজ নির্মাণ শৈলীতে অনন্য। সৃষ্টি করা হয়েছে কৃত্রিম লেক। বাংলা, ভারতীয় ও থাই খাবার পরিবেশনের জন্য রয়েছে অত্যাধুনিক দ্বিতল মেজবান রেষ্টুরেন্ট।

পিকনিক স্পটটিতে বিশাল পরিসরে রয়েছে সুইমিং পুল। রাঙামাটির আদলে ঝুলন্ত সেতু। শানবাঁধা পুকুর। কৃত্রিম পাহাড়। কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হয়েছে বাংলার ঐতিহ্য গরুর গাড়ি, জিন, জিরাপ, কলস নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা নারী, হরিণ, আদিম গুহা, পুকুর মাঝ বরাবর বসার আসন। আরও আছে সভা, সেমিনারের জন্য বিশাল আকারের মিলনায়তন। নানা রঙের ফুল ও দৃষ্টিনন্দন করে তৈরি করা হয়েছে শিশুদের খেলনা। প্রায় ১১ একর জমিতে গড়ে উঠেছে সোহাগপল্লী পিকনিক, শুটিং স্পট অ্যান্ড রিসোর্ট সেন্টারটি। যেখানে প্রায়ই সিনেমা, নাটকের শুটিং হয়ে থাকে বলে জানা গেছে।

কর্মব্যস্ত নাগরিক জীবনে হাঁপিয়ে ওঠে অনেকেই খোঁজেন প্রশান্তির ছোঁয়া। রাজধানী ঢাকার অদূরে গাজীপুরের প্রত্যন্ত এলাকায় মনোরম দৃশ্যমাখা গ্রামীণ পরিবেশে গড়ে উঠেছে অর্ধ-শতাধিক বেসরকারি রিসোর্ট। এখানে প্রকৃতিপ্রেমী ও ভ্রমণপিপাসুদের আনাগোনা থাকে সবসময়। আর হাতের কাছে এমন সুন্দর, নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে রাজধানীসহ দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে এখন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে গাজীপুরের রিসোর্টগুলো।

লেখক :সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি