কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গত আট মাসে এক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও তিন শিশুসহ ১১ জনের মৃত্যু ঘটেছে। বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে মৃত্যুর এমন ধারাবাহিক ঘটনায় এলাকাবাসী ও সচেতন মহল বিদ্যুৎ বিভাগকেই দায়ী করছেন।
বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে নিহতরা হলেন, জুয়েল রানা (১৪), জহুরা বেগম (৫৪), শফিকুল ইসলাম (২৩), শম্পা রানী পাল, ছামিউল ইসলাম (১৮), আব্দুল ছালাম (৪৫), আব্দুল মালেক উদ্দিন (৪৭), খোকন মিয়া (৩২), আশরাফুল ইসলাম (২৮), আল-আমিন ( ১২), আলিমুল হক (৫)।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ফুলবাড়ী জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মোস্তফা কামাল জানান, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে সেচসহ বাসা-বাড়িতে ব্যবহার করাতে এ ধরণের দুর্ঘটনা ঘটে।
তিনি আরও বলেন, গ্রাহকদের বিদ্যুৎ ব্যবহারে অসতর্কতা ও নিম্ন মানের ইলেকট্রিক সামগ্রী দিয়ে ওয়ারিং করার কারনেও ঘটে। প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় জনসচেতনামূলক মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রচার-প্রচারণাসহ উঠান বৈঠকের মাধ্যমে দুর্ঘটনা রোধ করার চেষ্টা চলছে।
ইত্তেফাক/এসজেড