বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা সব সময় দেশি-বিদেশি বন্ধুদের স্বাগত জানাই। সুবর্ণজয়ন্তীতে আমরা তাদেরকে অবশ্যই স্বাগত জানাব। কিন্তু দুর্ভাগ্য হচ্ছে, সরকার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করছে জনগণকে বাদ দিয়ে। জনগণ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সরকারের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানগুলোতে মুক্তিযোদ্ধাদের কোনো অবস্থান নেই। এমনকি রাজনৈতিক দলগুলোরও কোনো অবস্থান নেই।ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরো উন্নত করতে হলে বাংলাদেশের সঙ্গে যে অভিন্ন নদীগুলো রয়েছে তার হিস্যার মীমাংসা হওয়া উচিত। সীমান্ত হত্যা বন্ধ হওয়া উচিত। ভারতের সঙ্গে আমাদের এত বন্ধুত্বের কথা বলে সরকার। আর এটার সমাধান করতে পারে না! ভারতের সঙ্গে পানির সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে আহত বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেলকে দেখতে এসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, বিদেশি মেহমানরা আসছেন, এই কারণ দেখিয়ে আমাদের কর্মসূচিগুলো বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। মানুষের চলাচলে সম্পূর্ণ বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে আমাদের প্রতিবেশী তিনটি বন্ধু দেশের প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি এসে গেছেন। শুধু বিদেশি মেহমানদের নিয়ে এসে দেখানো হচ্ছে, বলানো হচ্ছে যে, ‘বাংলাদেশে উন্নয়নের লহরী বয়ে যাচ্ছে’। করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রসঙ্গ তুলে মির্জা ফখরুল বলেন, করোনার সমস্যা সমাধানে সরকার ব্যর্থ। করোনা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। সরকার সময় পেয়েছে কিন্তু হাসপাতালে বেড নেই। মানুষের মধ্যে কোনো সচেতনতা বাড়ানোর কার্যকর পদক্ষেপ নেই। করোনা মোকাবিলায় সরকারের উচিত জরুরিভিত্তিতে সবার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া। লকডাউন ইস্যুতে সবার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান বা ব্যবস্থা করতে হবে।