শুধু কথা বলে সমালোচিত নয়, কাজেও নিজেকে প্রমাণ করতে সিদ্ধহস্ত বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত। প্রতিষ্ঠিত নায়ক ছাড়াই নিজের অভিনয় দিয়ে এরইমধ্যে জয় করে নিয়েছেন ভক্তদের মন। পাশাপাশি প্রযোজকরাও নির্দ্বিধায় তার ওপর আস্থা রাখেন। নিজের অর্জনের ঝুলিতেও পুড়েছেন অসংখ্য পুরস্কার। এবার সেই তালিকায় যোগ হলো আরো একটি পুরস্কার। চতুর্থবারের মতো ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলেন তিনি। ‘মনিকর্ণিকা : দ্য কুইন অব ঝাঁসি’ ও ‘পাঙ্গা’ ছবি দুটির জন্য সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতে নিয়েছেন কঙ্গনা। জাতীয় চলচ্চিত্রের ৬৭তম এই আসরে ২০১৯ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমাগুলোকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।
অনন্য এই অর্জন প্রসঙ্গে কঙ্গনা বলেন, ‘আমার জন্মের সময় মা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছিলেন না যে, তাদের দ্বিতীয় সন্তানও মেয়ে হয়েছে। চলচ্চিত্রেও নানা প্রতিকূলতা মোকাবেলা করেছি। তবে আমি সর্বদাই প্রমাণ করতে চেয়েছি যে, মেয়েরাও সব পারে। আমার এই অর্জন নিশ্চয় তাদের সেই ভুল ভাঙিয়ে দিয়েছে। তবে জানি অনেকেরই ঈর্ষার পাত্র হবো। অনেকেই কানাঘুষা করেন সরকারি দলের আনুগত্যের কারণে এই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। কেউ কেউ বিচ্ছিন্নভাবে গণমাধ্যমেও এমন কথা বলেছেন।’
এছাড়া এবারের আসরে ‘ভোঁসলে’ সিনেমার জন্য সেরা অভিনেতা নির্বাচিত হয়েছেন মনোজ বাজপেয়ী। যুগ্মভাবে তামিল ‘আসুয়ান’ সিনেমার জন্য সেরা অভিনেতা নির্বাচিত হয়েছেন ধানুশ। সেরা হিন্দি ছবি নির্বাচিত হয়েছে সুশান্ত সিং রাজপুত-শ্রদ্ধা কাপুরের ‘ছিঁছোড়ে’। ‘বাহাত্তর হুরাইন’ সিনেমার জন্য সেরা পরিচালক হিসেবে পুরস্কার জিতেছেন সঞ্জয় পূরণ সিং চৌহান।
এছাড়া এবারের আসরে বাঙালি ছবিরও জয়জয়কার দেখা গেছে। ‘জ্যেষ্ঠপুত্র’ ছবির জন্য সেরা চিত্রনাট্যের পাশাপাশি সেরা মৌলিক পরিচালকের পুরস্কার জিতে নিয়েছেন কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়। সেরা বাংলা সিনেমার পাশাপাশি যুগ্মভাবে সেরা চিত্রনাট্যের জন্য পুরস্কৃত হয়েছে সৃজিত মুখার্জির ছবি ‘গুমনামী’।