একপায়ে শট মেরে মাঠ ফাঁকা করে দেবো: মমতা

বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এলেই এনআরসি, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) চালু হবে। গতকাল মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনের গোসাবায় ভোট প্রচারে এসে এ কথা বলে গেলেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন, বাংলাদেশি শরণার্থী নির্ধারণ করতে পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন চালু করা হবে। ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখে এনআরসি-সিএএর কথা শুনে সুন্দরবনের শরণার্থীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।

এদিকে পুরুলিয়ার কাশীপুরে জনসভায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেছেন, আদিবাসীদের জমি ও জঙ্গলের অধিকার কাউকে কাড়তে দেব না। বিজেপিকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, ওরা মেয়েদের কোনো সম্মান দেয় না। বিজেপি গাদ্দারের দল, দস্যুদের দল। এদের একটাও কেউ ভোট দেবেন না। তিনি বলেন, ওরা ভেবেছিল আমি একপায়ে চলতে পারব না। একপায়ে শট মেরে গোটা মাঠ ফাঁকা করে দেবো। দলের নেতাকর্মীদের বলেন, আপনারা সজাগ থাকবেন বিজেপি যাতে কোনোভাবে ভোট চুরি করতে না পারে।

অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের ভোটার হলেও আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন না মিঠুন চক্রবর্তী। কয়েক দিন আগে তিনি কলকাতার কাশিপুর-বেলগাছিয়া এলাকায় ভোটার হন। কিন্তু বিজেপির বাকি ১৩ আসনের প্রার্থী তালিকায়ও মিঠুনের নাম নেই। তাই বলে যে তিনি পরবর্তী সময়ে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী পদে মুখ হতে পারবেন না, এরকম ভাবার কোনো কারণ নেই। ভারতীয় নির্বাচনী আইন অনুযায়ী এমএলএ না হয়েও যে কেউ মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন। তবে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে তাকে উপনির্বাচনে কোনো আসন থেকে জিতে আসতে হবে। ২০১১ সালে এমনটাই হয়েছিল মমতা ব্যানার্জির ক্ষেত্রে।

ইত্তেফাক/এমআর