তৌহিদুল ইসলাম তালুকদার, কালাই (জয়পুরহাট) সংবাদদাতা
করোনা সংক্রমণের সময় কালাইয়ে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। এ উপজেলায় বিভিন্ন কর্মস্থলে, হাট-বাজার, গণপরিবহন, সামাজিক অনুষ্ঠান, রাজনৈতিক কর্মসূচি বা কর্মকাণ্ডে এবং রাস্তায় পথচারীরা নিয়মনীতি তেমন মানছেন না। মাস্ক না পরার পেছনে নানা অজুহাত দাঁড় করাচ্ছেন অনেকেই, আবার না পরার কারণ জানতে চাইলে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন কেউ কেউ। ফলে এই উপজেলায় প্রতিদিনই করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। উপজেলার জিন্দারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, ‘জনগণকে এ ব্যাপারে অবশ্যই সচেতন হতে হবে। এই উপজেলায় প্রতিদিনই করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।’ কালাই সরকারি মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করায় এখন অনেকটা আগের মতোই সবকিছু চলছে। স্বাস্থ্যবিধি মানতে সঠিক গাইডলাইন তৈরি করতে হবে।’ কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু তাহের মো. তানভীর হোসেন বলেন, ‘করোনা ভাইরাসের টিকা আসার পর মানুষ এখন কিছুই মনে করছে না। মহামারি করোনা ভাইরাসের এই দুর্যোগে সময় নিয়মনীতি মেনে চলতে হবে। এই উপজেলায় এ পর্যন্ত ১৯৭ জন মানুষ করোনা শনাক্ত হয়েছে এবং তিন জনের করোনায় মৃত্যু হয়েছে। কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোবারক হোসেন পারভেজ বলেন, ‘যানবাহনে মাস্কের ব্যবহার নিশ্চিতসহ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে করোনা থেকে মুক্তি পেতে হলে সবাইকে মাস্ক পরা, শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাসহ স্বাস্থ্যবিধি যথযাথভাবে মেনে চলতে হবে।’