ছোটকাল থেকেই দেখে আসছি—সবারই ইচ্ছা ঢাকার কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করার কিংবা যারা চাকরিজীবী তাদেরও চাওয়া এমন। পোস্টিং যেন ঢাকাতেই হয়। কিন্তু ঢাকায় আসার পর বদলে যায় চিন্তা। ঢাকার রাজপথে যে শত শত স্বপ্ন হত্যা করা হয়! আর এই স্বপ্নহত্যাকারীর নাম ট্রাফিক জ্যাম! ট্রাফিক জ্যামে আটকে থেকে অগণিত মানুষ হারাচ্ছে চাকরি, বসতে পারছে না পরীক্ষার ডেস্কে আবার গর্ভবতী কিংবা মুমূর্ষু রোগী রাস্তাতেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করছে। অভিশপ্ত ট্রাফিক জ্যামের তেজে ভস্ব হয়ে যায় সহস্র মধ্যবিত্তের স্বপ্ন, যা আমাদের জন্য সত্যিই দুঃখজনক। শোনা যায় যে ট্রাফিক জ্যাম নিরসনে সরকার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছেন; কিন্তু তা বাস্তবায়নের ছিটেফোঁটাও চোখে পড়ে না! পিছিয়ে পড়ার অন্যতম কারণের মধ্যে এই ট্রাফিক জ্যাম উল্লেখযোগ্য ও অন্যতম সমস্যা। আমরা আমাদের গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলো ট্রাফিক জ্যামে ফেলে যাচ্ছি। ট্রাফিক জ্যাম নিরসনে দরকার সরকারি কিছু পদক্ষেপ। যার মধ্যে রাস্তার প্রশস্ততা জরুরি, বাইপাস রাস্তা বাড়ানো, ট্রাফিক পুলিশের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ। সরকারের পাশাপাশি সাধারণ নাগরিকদেরও উচিত ট্রাফিক আইন মেনে চলা। এসব পদক্ষেপে রাজধানী থেকে ট্রাফিক জ্যামের মতো ব্যাধি দূর হবে বলে প্রত্যাশা রাখি।
বিশাল সাহা
শিক্ষার্থী, ঢাকা কলেজ