ফরিদপুর-৪ আসনের জনপ্রিয় এমপি ও আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সনের নেতৃত্বে হেফাজতের ডাকা হরতালবিরোধী বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। একই সাথে গত শনিবার হেফাজতের তাণ্ডবে ভাঙ্গা থানা ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার আহ্বান করা হয়েছে।
রবিবার সকালে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগের হাজার হাজার নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি ভাঙ্গা থানা চত্বর থেকে শুরু করে শহর প্রদক্ষিণ শেষে হাইওয়ে এক্সপ্রেস ঘুরে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। মিছিলে নেতা-কর্মীরা হেফাজতের হরতাল ও তাণ্ডবের প্রতিবাদে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকে। শনিবারে হেফাজতের তাণ্ডবে ভাঙ্গা থানা ভাংচুর করায় হেফাজতের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিছিলটি শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে।
মিছিলে অংশ নেয় আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ও ভাঙ্গা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান শাহাদাৎ হোসেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস,এম হাবিবুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী হেদায়েত উল্লাহ সাকলাইন, সাধারণ সম্পাদক ফাইজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক সোবহান মুন্সি, ভাঙ্গা বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ আবু জাফর মুন্সি, বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আবুল কালাম মাতুব্বর, পৌর কাউন্সিলর ওমর ফারুক হবি, সরকারি কেএম কলেজের সাবেক ভিপি আকরামুজ্জামান মিঠু ও জিএস লাবলু মুন্সি প্রমুখ।
উল্লেখ্য গত শনিবার দুপুরে হেফাজতের হাজার হাজার নেতা-কর্মী অতর্কিত হামলা চালিয়ে ভাঙ্গা থানা ব্যাপক ভাঙচুর করে। সেসময় থানার ভেতরে থাকা একটি পুলিশ ভ্যানসহ দুইটি মোটরসাইকেল ভেঙ্গে চুরমার করে হেফাজতের নেতা-কর্মীরা। রবিবার সকালে ফরিদপুর-৪ আসনের জনপ্রিয় সাংসদ মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি দ্রুত দুস্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।
বিয়ষটি নিয়ে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ লুৎফর আহমেদ বলেন, ‘শনিবারের হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় ভাঙ্গা থানায় একটি মামলা হয়েছে। সেই সাথে ঘটনার সাথে জড়িত ৭ জনকে আটক করা হয়েছে।’
ইত্তেফাক/এএএম