স্কোরটা তাড়া করা সম্ভব ছিল

আফিফ

 স্পোর্টস রিপোর্টার

দ্রুতলয়ে রান তুলছেন ব্যাটসম্যান, বোলাররা গলদঘর্ম হচ্ছেন—ক্রিকেটের ক্ষুদে ফরম্যাটের সবচেয়ে চিত্তাকর্ষক দৃশ্য এটি। হ্যামিল্টনে গতকাল নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা যার পরিপূর্ণ প্রদর্শনী করেছেন। সেডন পার্কের বাউন্ডারি কিছুটা ছোট ছিল, যার সুবিধা নিয়েছেন কনওয়ে-ইয়াংরা। যে সুবিধা কাজে লাগাতে পারেননি বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। আগে ব্যাট করে নিউজিল্যান্ড ২১০ রান তোলার পরই ম্যাচের লাগাম কার্যত ছুটে গিয়েছিল বাংলাদেশের কাছ থেকে।

অবশ্য তা মানতে নারাজ বাংলাদেশের পক্ষে ইনিংস সর্বোচ্চ ৪৫ রান করা আফিফ হোসেন ধ্রুব। গতকাল ম্যাচ শেষে এ তরুণ বলেছেন, এই স্কোর তাড়া করা সম্ভব ছিল। ইনিংসের মাঝপথে দ্রুত কিছু উইকেট হারিয়ে ফেলায় ব্যাকফুটে চলে যায় বাংলাদেশ।

রান তাড়া করতে নেমে ইশ সোধির লেগ স্পিনে পথ হারায় মাহমুদউল্লাহর দল। সোধির শিকার হয়ে ফিরেন সৌম্য, মিঠুন, মাহমুদউল্লাহ ও মেহেদী হাসান। ৫৯ রানে ৬ উইকেট পড়লেও আফিফ-সাইফউদ্দিন মিলে লড়াই চালিয়ে গেছেন। কিন্তু রান-বলের ব্যবধান বেশি হওয়ায় বড় হারই হজম করে বাংলাদেশ।

ম্যাচ শেষে আফিফ বলেছেন, ‘মাঠের দৈর্ঘ্য যেহেতু ছোট ছিল, এ ধরনের স্কোর অবশ্যই তাড়া করা সম্ভব ছিল বলে আমার মনে হয়। আমাদের ব্যাক টু ব্যাক উইকেটগুলো না পড়লে হয়তো এই রান আমরা তাড়া করতে পারতাম।’

হ্যামিল্টনের অভিজ্ঞতা পরের ম্যাচগুলোতে কাজে লাগাতে চান এ বাঁহাতি। মাঠের সুবিধা নিতে না পারা সম্পর্কে আফিফ বলেছেন, ‘ব্যাটিংয়ের জন্য আমার মনে হয় উইকেটটা ভালোই ছিল। কারণ সোজা একটু ছোট গ্রাউন্ড ছিল, তো ব্যাটসম্যানদের পক্ষে ছিল যে জিনিসটা। ওদের ব্যাটসম্যানরা এই যে গ্রাউন্ডের সুবিধাটা বেশ ভালোভাবে নিতে পেরেছে।’

তারপরও জয়ের জন্য লড়াই করার চেষ্টাকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। গতকাল তিনি বলেছেন, ‘একটা ইতিবাচক দিক আমি নিতে চাই, যে ইন্টেন্টটা ছিল, যা দেখতে পাওয়াটা ভালো ছিল।’