হাবিবুর রহমান বাদল, নারায়ণগঞ্জ
মাস্ক পরায় লোকজনের উদাসীনতা চরম মাত্রায় উঠেছে। সংক্রমণ পরিস্থিতি আরো খারাপ হওয়ার আশঙ্কা করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। গত বছর এই মার্চ মাসেই করোনার ভয়াবহতা ছড়িয়ে পড়তে থাকে। গত এক বছরে করোনা ভাইরাসে নারায়ণগঞ্জের ১৭৪ জন প্রাণ হারিয়েছে। আক্রান্ত হয়েছে ৯ হাজার ৭৬৮ জন। মধ্যে কিছুটা সময় স্বাভাবিক অবস্থা বিরাজ করলেও, গত এক সপ্তাহে নারায়ণগঞ্জে করোনা পরিস্থিতি আবার ভয়ংকর অবস্থার দিকে যাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দুই জনের মৃত্যু আর ৯১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন জেলা করোনা ফোকাল পারসন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম। গতকাল বিকালে তিনি বলেন, আমরা আগের মতো আবারও হটস্পটে চলে যাচ্ছি। যেহেতু আমাদের অর্থনীতি চালু রাখতে হবে, সেহেতু নো মাস্ক, নো সার্ভিস চালু রাখতে হবে। রাস্তায় কেউ মাস্ক ছাড়া চলতে পারবে না, জটলা পাকাতে পারবে না। দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। প্রত্যেককেই সচেতন হতে হবে। প্রশাসন থেকে শুরু করে জনগণ পর্যন্ত। কেউ মাস্ক ছাড়া ঘর থেকে বের হতে পারবে না।
ডা. জাহিদুল ইসলাম বলেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনে সব সভা-সমাবেশ এখন বাতিল করতে হবে। বিশেষ করে সিটি করপোরেশন এলাকা, তারপরে সদর এলাকা, রূপগঞ্জ, বন্দর। সময়ক্ষেপণ করা যাবে না জানিয়ে তিনি বলেন, কিছু পূর্ব প্রস্তুতিও নিতে হবে। এখন নারায়ণগঞ্জে ৩০০ শয্যা হাসপাতাল আর চারটি উপজেলা হাসপাতাল ছাড়া আর কোথাও চিকিত্সার জন্য যাওয়ার জায়গা নেই। উপজেলা হাসপাতালে নন কোভিডের পাশাপাশি কোভিড চিকিত্সা চলছে।