মিয়ানমারের সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে নিত্যনতুন পদ্ধতি ব্যবহার করছেন বিক্ষোভকারীরা। এবার তারা রাস্তায় রাস্তায় আর্বজনা ফেলে পালন করছেন ধর্মঘট। এ আন্দোলনে শহরের রাস্তাগুলোতে ময়লার পাহাড় জমে গেছে। এজন্য এটিকে ‘আবর্জনা ধর্মঘট’ বলা হচ্ছে। মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) এ খবর দিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্দোলনকারীদের প্রতিবাদ জানানো নতুন এই কৌশলকে ‘সভ্য অবাধ্যতা’ ক্যাম্পেইন বলা হচ্ছে। তারা আহ্বান জানাচ্ছেন সব বড় রাস্তার মোড়ে আবর্জনা ফেলে রাখতে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত পোস্টারে লেখা রয়েছে, ‘এই আবর্জনা ধর্মঘটের উদ্দেশ্য সেনা শাসনের বিরোধিতা করা। এতে সবাই অংশ নিতে পারবেন।’
দেশের সবচেয়ে বড় শহর ইয়াঙ্গুনের বেশ কিছু জায়গায় সরকারের পক্ষ থেকে লাউড স্পিকারের মাধ্যমে বাসিন্দাদের অনুরোধ করা হয় সঠিকভাবে আবর্জনা ফেলতে। কিন্তু সবাই এই নির্দেশ অমান্য করছেন।
সেনা শাসকদের বিরোধীতা করা তিনটি দল- দ্য মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক এলায়েন্স আর্মি, দ্য আরাকান আর্মি ও টাং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি এক যৌথ বিবৃতিতে আন্দোলনকারীদের হত্যা বন্ধ করতে সামরিক শাসকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বিক্ষোভকারীদেরকে ‘সহিংস সন্ত্রাসী’ হিসাবে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, তাদের ছত্রভঙ্গ করতে ‘দাঙ্গাবিরোধী অস্ত্র’ ব্যবহার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।
ইত্তেফাক/এসএ