দেশে আবারও করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সরকার নতুন করে আরোপ করেছে বিধিনিষেধ। এই পরিস্থিতিতে পুনরায় লকডাউন দেওয়া উচিত কি অনুচিত—এই নিয়ে দেখা দিয়েছে বিতর্ক। এ ব্যাপারে টেলিফোন ও ইমেইলে প্রাপ্ত পাঠকদের মতামত আজ প্রকাশিত হলো।
কেবল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেই করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি কমবে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাইরে হাটবাজার, গণপরিবহন, পর্যটন—সবকিছু খোলা আছে। সরকারের পক্ষ থেকে শুরুতেই বলা হয়েছিল, টিকা পাওয়া মানেই করোনা থেকে মুক্তি নয়। টিকার সঙ্গে স্বাস্থ্যবিধিও সবাইকে মানতে হবে। ঘরের বাইরে গেলে মাস্ক পরতে হবে। হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে নাগরিকদের যেমন উদাসীনতা আছে, তেমনি প্রশাসনও অনেকটা উদাসীনতা দেখাচ্ছে। মাঝেমধ্যে লোক দেখানো অভিযান চালিয়ে দুই-চার জনকে জরিমানা করলেই পরিস্থিতির উন্নতি হবে না। আমার মতে এই উদাসীনতাকে রুখতে সারা দেশে তিন দিনের জন্য আবারও ‘লকডাউন’ ঘোষণা করে সবার মধ্যে সচেতনতা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক।
মেনহাজুল ইসলাম তারেক
পার্বতীপুর, দিনাজপুর
করোনা ভাইরাসের প্রকোপ আবার বাড়তে শুরু করেছে। এটি প্রতিরোধে অন্যান্য দেশের ন্যায় আমাদের দেশেও নতুন করে লকডাউনের কথা আলোচিত হচ্ছে। তবে বাংলাদেশে সংক্রমণের চেয়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে বেশি; সতর্কতা কম। এ মুহূর্তে সতর্কতার জন্য সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা খুব দরকার। সামাজিক বা শারীরিক দূরত্ব স্থাপন কোনো প্রতিষেধক নয়, কিন্তু টিকা গ্রহণের আগ পর্যন্ত সংক্রামক রোগ বিস্তার প্রতিরোধের জন্য এটি সর্বোত্তম ওষুধবিহীন পদক্ষেপ। আবার করোনা যেভাবেই ছড়াক না কেন, শুধু সরকারের পদক্ষেপের ওপর ভরসা করে থাকলে চলবে না, জনগণকেও দায়িত্বশীল, সচেতন ও সাহসী হতে হবে। সতর্কতা ও সচেতনতার জন্য দরকার প্রস্তুতি ও প্রতিরোধ। প্রতিরোধের জন্য দরকার কার্যকর সামাজিক বিচ্ছিন্নতা ও নিরাপদ দূরত্ব।
মো. জিল্লুর রহমান
ব্যাংকার ও লেখক, গেণ্ডারিয়া, ঢাকা
হাট-বাজার, গণপরিবহন ও পর্যটনকেন্দ্রসহ সর্বত্র নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণে আমাদের চরম অবহেলা এবং তদারকিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সর্বোচ্চ নমনীয়তাই নতুন করে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধির জন্য দায়ী। এক্ষেত্রে লকডাউন দিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচল সীমিত করলেও নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় পুনরায় স্থবিরতা তৈরি হবে। এমন স্থবিরতার দীর্ঘস্থায়ী নেতিবাচক প্রভাব থেকে ছাড় পাবে না জাতীয় অর্থনীতিও। এছাড়া, সামনেই রমজান। এমন সময়ে লকডাউনের পরিবর্তে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হতে সর্বশেষ গৃহীত ১৮ দফার কঠোর বাস্তবায়নের পাশাপাশি পর্যটন কেন্দ্র এবং যাবতীয় সভা-সমাবেশ ও জমায়েত নিষিদ্ধ করা উচিত। একইসঙ্গে নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণে সকলের সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া উচিত।
আবু ফারুক
বনরূপা পাড়া, সদর, বান্দরবান
সম্প্র্রতি দেশে করোনা ভাইরাস অতিমাত্রায় বৃদ্ধি পাওয়ার খবর সর্বসাধারণের জন্য সত্যিই দুঃখজনক। কয়েক সপ্তাহ আগের স্বাভাবিক অবস্থার তুলনায় আবারও বেড়েই চলেছে সংক্রমণের হার। গত এক বছরের অভিজ্ঞতায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের যেসব উপায় আমরা জেনেছি, সেগুলোই এখন জোরালোভাবে পুনরাবৃত্তি করতে হবে। যেহেতু আমাদের দেশের অধিকাংশ লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে সেহেতু আমাদের উচিত লকডাউন না দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর অধিক গুরুত্বারোপ করা।
এস এম আব্দুস সামাদ
উলিপুর, কুড়িগ্রাম
গত কয়েক দিনে সংক্রমণের রেকর্ড হার এবং ক্রমশ তার ঊর্ধ্বগতি নিশ্চিতই নাজুক পরিস্থিতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। স্বাস্থ্য সুরক্ষার নির্দেশিত বিধি পালনে মানুষের উদাসীনতার দরুনই করোনা পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হয়েছে। লকডাউন কার্যকর করলে মানুষের অর্থনৈতিক চাপ বাড়বে। তাই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সবাইকে মাস্ক ব্যবহার ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে বাধ্য করা উচিত। প্রশাসনকে এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ কঠোর হতে হবে।
এ এফ এম সালাহউদ্দিন
বান্দরবান সদর, বান্দরবান
লকডাউন করোনা প্রতিরোধে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও তা কখনো কিছু ক্ষেত্রে সুবিধাজনক হয়ে ওঠে না। এর কারণ হিসেবে ধরা যেতে পারে দরিদ্র মানুষের কর্মহীনতা এবং দেশের অর্থনৈতিক খাতে তারল্যের অভাব। বর্তমান সময়ে লকডাউন ছাড়াও করোনা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ হলো সব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, জনসমাগম এড়িয়ে চলা। তবে পরিস্থিতি যদি পরবর্তী সময়ে ভয়াবহ রূপ ধারণ করে তাহলে লকডাউনের বিকল্প নেই, সেক্ষেত্রে দেশের সবার কথা মাথায় রেখে দেশের সরকার সময় উপযোগী সিদ্ধান্ত নেবেন বলে আশা করি।
ফারজানা বিনতে মুরাদ ঈরা
মধুখালী, ঝিকরগাছা, যশোর
এই পরিস্থিতিতে জনগণকে সরকারি নিদের্শনা মেনে চলতে অবশ্যই বাধ্য করতে হবে। বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে হবে।
শিশির
পিলখানা, ঢাকা
করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকলেও লকডাউন দেওয়া ঠিক হবে না। লকডাউন দিলে মানুষের রোজগারের পথ বন্ধ হয়ে যাবে। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ও সতর্কতা অবলম্বন করে চলাই শ্রেয়।
সালেহা আফরিন বেবী
শিবগঞ্জ, সিলেট
উন্নত দেশসমূহের মতো আমাদের দেশের চিকিত্সাসামগ্রিসহ আইসি বেড পর্যাপ্ত নয়, তাছাড়া চিকিত্সা পদ্ধতি ও ব্যবস্থা তাদের মতো অত্যাধুনিক নয় বিধায় করোনা পরিস্থিতি মহামারি রূপ নিলে বহু লোকের প্রাণহানি ঘটবে। জীবনের চেয়ে জীবিকা আগে হতে পারে না, তাই নিম্ন, মধ্যবিত্ত দরিদ্র অসহায় এবং ছিন্নমূল মানুষের ঘরে ঘরে সরকারি প্রণোদনার মাধ্যমে খাদ্য পৌঁছানোর সুব্যবস্থা নিশ্চিত করে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো প্রয়োজনে লকডাউন/কারফিউ এবং বিধিনিষেধ মানার বাধ্যবাধকতার জন্য জরিমানার বন্দোবস্ত করতে হবে।
মুহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ
সরদার পাড়া, মুন্সীগঞ্জ
করোনা পরিস্থিতি এখন দিন দিন বাড়ছেই। সংক্রমণ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে মৃত্যুর হার । হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে রোগীর চাপ । তাই জরুরি ভিত্তিতে করোনার চিকিত্সার সমপ্রসারণ করা উচিত। হাসপাতালগুলোতে বাড়ানো উচিত আইসিউ বেড।
মো. মামুন
বংশাল, ঢাকা
আমাদের দেশে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। করোনা সংক্রমণ হার এবং মৃত্যু দুটোই ঊর্ধ্বমুখী। সাধারণ মানুষের মধ্যে এখনো করোনা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা যাচ্ছে না। মানুষ প্রতিনিয়ত সভা সমাবেশ করছে হাটে-বাজারে যাচ্ছে, সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছে, ভ্রমণে যাচ্ছে। এইসব কাজ কোনোরকমের সতর্কতা অবলম্বন না করেই চালিয়ে যাচ্ছে। গণপরিবহনের অবস্থা আরো বেশি খারাপ। কেউ স্বাস্থবিধি মেনে এবং মুখে মাস্ক পরে চলতে চায় না। যা খুবই ভয়ংকর এবং উদ্বেগেরও বিষয়। তাই প্রয়োজনে সীমিত আকারে বেশি আক্রান্ত এলাকায় একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য লকডাউন দেওয়া যেতে পারে।
কামরুজ্জামান
শ্রীপুর, গাজীপুর
বেশ কয়েকমাস ধরে করোনার সংক্রমণের হার নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকলেও মার্চের প্রথম সপ্তাহের পর থেকেই তা আবার বাড়তে শুরু করেছে। সরকার স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা চালিয়ে যেতে বললেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে মানুষ স্পষ্টতই অবহেলার পরিচয় দিয়ে আসছে। টিকা আসার পর মানুষের এই প্রবণতা আরো চরম আকার ধারণ করেছে। মূলত মাস্ক ব্যবহারসহ নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণে ইচ্ছেকৃত অবহেলার কারণেই সংক্রমণের হার ও মৃত্যুর সংখ্যা আবার বাড়ছে।
মোহাম্মদ ফয়সাল
হাজী মুহাম্মদ মুহসীন কলেজ, চট্টগ্রাম
প্রতিদিনই মৃত্যু ও শনাক্ত বাড়ছে। দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ আবার বেড়ে যাওয়ায় জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান ছাড়া সব অফিস ও কারখানা অর্ধেক জনবল দ্বারা পরিচালনা করা উচিত। এছাড়া আর কোনো গতি নেই।
মো. মেজবাউদ্দিন সেলিম
ইব্রাহিমপুর, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা
করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহের দিকে যাচ্ছে। এই মুহূর্তে আমাদের প্রথম কর্তব্য হলো স্বাস্থ্যবিধি মানা। মিছিল, মিটিং ও জনসমাবেশ অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধের দিকে জোর দিতে হবে। বিশেষ করে মাস্ক পরার ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মানতে বাধ্য করতে হবে, দরিদ্র মানুষের জন্য বিনা মূল্যে মাস্ক বিতরণের কার্যক্রম চালাতে হবে।
মো. শহীদুল ইসলাম (রয়েল)
নিশিদারা, মধ্যপাড়া , বগুড়া
লকডাউনের পথে হাঁটছে বিশ্ব। মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও এশিয়ার দেশগুলোতে আবার করোনায় মৃত্যুর আক্রান্ত বেড়েছে। করোনা প্রতিরোধে ব্যাপকভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানুষের কাছে তুলে ধরছে সরকার। মানুষ এখনো স্বাস্থ্যবিধি মানছে না। স্বাস্থ্যবিধি অবশ্যই মানুষকে মেনে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করতে হবে।
ফারুক আহমেদ
বাঘমারা, রাজশাহী
করোনা শুধু বাংলাদেশে নয়। সারা বিশ্বে দ্বিতীয় দফায় মহামারি আকার ধারণ করেছে। তাই সচেতনতার মধ্যে চলতে হবে। সর্বাবস্থায় নিজেকে মাস্ক পরে চলাফেরা করতে হবে। এদিকে আসছে পবিত্র মাহে রমজান। তাই লকডাউনের প্রয়োজন নেই। লকডাউন দিলে অর্থনীতিতে বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। ‘জনসমাজ সুখে থাক, করোনা কেটে যাক।’
প্রহরী মনিরুজ্জামান
ত্রিশাল, ময়মনসিংহ
আমরা মনে করি, আপাতত দেশের করোনার বিস্তারের পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে পরীক্ষামূলকভাবে কিছু দিন লকডাউনের প্রয়োজন রয়েছে। কেননা সরকারের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও জনগণ করোনার প্রতি ভ্রুক্ষেপ করছে না। ফলে দিন দিন করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যুর হারও বাড়ছে। কাজেই কাল বিলম্ব না করে দ্বিতীয় ঢেউকে প্রতিহত করার জন্য লকডাউনের বিকল্প নেই।
আলহাজ মো. হাফিজুল ইসলাম চৌ. (হিফজু)
চিনাইর , বি.বাড়িয়া সদর, বি.বাড়িয়া
করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ প্রথম ঢেউয়ের চেয়েও বিধ্বংসী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আবার বাস, ট্রেনে অর্ধেক সিট খালি রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং জনসমাগম যাতে না হয় সেদিকে দৃষ্টি রাখতে বলা হয়েছে। বিপর্যয় সত্ত্বেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ক্ষেত্রে শিথিলতা দুর্ভাগ্যজনক। তাই এ ব্যাপারে সরকারের কড়া নজরদারি বাড়াতে হবে।
খন্দকার মাসুদ উজ জামান
নাজিমুদ্দিন রোড, চানখাঁরপুল , ঢাকা
করোনা ভাইরাসের প্রকোপ ব্যাপক হারে বাড়ছে সারা দেশেই। এর মধ্যে ২৯টি জেলাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এই পরিস্থিতিতে লকডাউনের চেয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানা অত্যন্ত জরুরি।
অ্যাডভোকেট এস কে মো. রজিম উদ্দিন
কাকরাইল, ঢাকা
দেশে আবারও করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। আর আমাদের দেশে মানুষের চলাফেরা দেখে মনেই হয় না যে কোভিড-১৯ কোনো মহামারি। এখনো মানুষ সতর্ক ও সজাগ হচ্ছে না। এ পরিস্থিতিতে লকডাউনের চেয়ে সতর্কতা ও স্বাস্ব্যবিধি মেনে চলা একান্ত জরুরি।
মুন্সী মোহাম্মদ ওয়াহিদ উল্লাহ
স্টেডিয়াম সড়ক, সদর, ফেনী
লকডাউন দেওয়ার পরেও মানুষ যদি স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চলে তাহলে লকডাউনের কোনো স্বার্থকতা পরিলক্ষিত হবে না। এই কারণে জনগণের প্রতি আইনগতভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বাধ্যবাধকতা আরোপ করতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, করোনার টিকা দেওয়ার পরেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। লকডাউনের চেয়েও স্বাস্থ্যবিধি বেশি মেনে চলতে হবে।
মাখরাজ খান
সাঠুরিয়া, মানিকগঞ্জ
করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালস্থ হওয়া ও মৃত্যুবরণের ঊর্ধ্বমুখী পরিসংখ্যান নিদারুণ উদ্বেগজনক পরিস্থিতির জানান দিচ্ছে। স্বাস্থবিধি যথাযথভাবে পরিপালনে নমনীয় মনোভাব, উদাসীনতা ও দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ করোনা সংক্রমণের পারদ চড়িয়ে দিতে প্রধান অনুঘটকের ভূমিকা পালন করছে বলে অধিকাংশ বিশেষজ্ঞের অভিমত। এই মুহূর্তে সর্বাধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত এলাকাসমূহ প্রয়োজনের নিরিখে আংশিকভাবে লকডাউনের আওতায় আনা যেতে পারে।
ওয়ারেছ আলী খান
সদর, নরসিংদী