লেনদেনের শুরুতে শেয়ারবাজারে মূল্যসূচকে ধস নামলেও শেষ পর্যন্ত ছোট দরপতন দিয়েই গতকাল দিনের লেনদেন শেষ হয়েছে। গতকাল প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সবকটি মূল্যসূচকের পতন হয়েছে। সেসঙ্গে দুই বাজারেই কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। অবশ্য গতকাল বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৭ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ২৭০ পয়েন্টে নেমে গেছে। বাজারটিতে দিনভর লেনদেনে অংশ নেওয়া ১২৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১০০টির। আর ১১০টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। মূল্যসূচকের পতনের সঙ্গে ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও আগের দিনের তুলনায় কমেছে। দিনভর বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৪৫১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় ৫৬০ কোটি ২৫ লাখ টাকা। সে হিসাবে লেনেদেন কমেছে ১০৮ কোটি ৯২ লাখ টাকা।
টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকোর শেয়ার। কোম্পানিটির ৭০ কোটি ৬১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা রবির ২০ কোটি ৮০ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। ১৯ কোটি ৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বেক্সিমকো ফার্মা। এছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে—প্রভাতী ইনসিওরেন্স, আইএফআইসি ব্যাংক, ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো, লাফার্জহোলসিম, লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস এবং সিটি ব্যাংক। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে ৮ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ২৫ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নেওয়া ২০৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৭৩টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৮৫টির এবং ৪৭টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।