গোবিন্দগঞ্জে তিন সন্তানের জননীকে অপহরণ করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ভিডিও ধারণ

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে রাতের আঁঁধারে অপহরণ করে এক নারীকে (৩৫) পালাক্রমে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। ওই নারী তিন সন্তানের জননী। ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ করলে ধারণ করা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশের হুমকি দিয়েছে ধর্ষকরা। এ ঘটনায় পাঁচজনকে আসামি করে গোবিন্দগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।

গত বুধবার মধ্যরাতে উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের কৌচাকৃষ্ণপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় ওই নারী রাতেই পরিবারের কাছে ঘটনাটি প্রকাশ করেন। পরের দিন দুপুরে তিনি বৈরাগীর হাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে দুই জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো তিনজনকে আসামী করে এজাহার জমা দেন। বৈরাগীর হাট তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ভিকটিমকে গোবিন্দগঞ্জ থানায় এনে মামলা রুজু করেন এবং ধর্ষণের শিকার ওই নারীকে গাইবান্ধা সদরে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য পাঠান।

মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে ভিকটিম তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করতেন। ঘটনার রাতে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘরের বাহির এলে ধর্ষক হাউসীপাড়া গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে বাবু মিয়া (৩০) ও একই গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে শফিকুল ইসলাম (২৫), মান্নানের ছেলে মতিয়ার, কৌচা কৃষ্ণপুর গ্রামের বাকী প্রধানের ছেলে সোহাগ (২৫) তাকে মুখ চেপে ধরে অপহরণ করে বাড়ীর অদূরে একটি বাগানে নিয়ে যায়। তারা তাকে পাশেই জিন্নাত আলীর জমিতে নিয়ে জোরপূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে মুখ ঢেকে অপরিচিত আরো তিনজন তাকে ধর্ষণ করে। ধর্ষকরা শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি মোবাইলে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করেছে বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগীর পরিবার। বৈরাগীর হাট পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের অফিসার ইনচার্জ ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মিলন চ্যাটার্জী জানান, ভিকটিমের মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এজাহারভুক্ত আসামীদের গ্রেফতারে জোর তত্পরতা অব্যহত রয়েছে।