আবারও করোনার থাবা চিন্তায় ক্রিকেটাররা

  স্পোর্টস রিপোর্টার

করোনা ভাইরাসের ধাক্কায় গত বছর মার্চে স্থবির হয়ে পড়েছিল দেশের ক্রিকেটাঙ্গন। জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা কয়েক মাস পর মাঠে ফিরলেও অন্যদের অপেক্ষাটা দীর্ঘায়িত হয়েছে। ক্রিকেটারদের ভ্যাকসিন প্রয়োগের মাধ্যমে এক বছর বিরতির পর গত মাসে সচল হয়েছিল ঘরোয়া ক্রিকেট। কিন্তু দুই সপ্তাহ না যেতেই আবারও করোনার থাবা পড়েছে ঘরোয়া ক্রিকেটে।

দুই রাউন্ড পর স্থগিত হয়ে গেছে বঙ্গবন্ধু জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল)। তাতে ক্রিকেটারদের কপালে চিন্তার ভাঁজ বেড়েছে। শঙ্কায় পড়ে গেছেন স্থানীয় ক্রিকেটাররা। আবার খেলা শুরু হতে কতদিন লাগবে, তাই নিয়ে চিন্তায় ক্রিকেটাররা।

দেশব্যাপী করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় লকডাউনের পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়ছেন সাধারণ ক্রিকেটাররাও। যাদের কাছে ঘরোয়া ক্রিকেটই রুটি-রুজির অবলম্বন। গতকাল এনামুল হক বিজয়ের কণ্ঠে সেই সুরই ধরা পড়ল।

করোনার বিরতিতে ক্রিকেটারদের চ্যালেঞ্জ নিয়ে গতকাল মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ডানহাতি এ ওপেনার বলেছেন, ‘করোনা আসার পর থেকে আমাদের জীবনযাত্রা থমকে গেছে। আমরা তো জাতীয় দলের অনেকেই আলহামদুলিল্লাহ, আমরা মোটামুটি অনেকেই প্রতিষ্ঠিত। মোটামুটি এক বছর চালানো যায়। তবে যদি নিচের দিক থেকে চিন্তা করেন যে, কোয়ালিফাইং, সেকেন্ড ডিভিশন, থার্ড ডিভিশন, ফার্স্ট ডিভিশন, প্রিমিয়ার লিগের এতগুলো দল, ফার্স্ট ক্লাসের এতগুলো খেলোয়াড়। সব মিলিয়ে ক্রিকেট একাডেমিগুলো যত বলেন, বাংলাদেশের যত ক্রিকেট একাডেমি আছে সবাই কিন্তু আসলে ক্রিকেটনির্ভর। যারা ক্রিকেট ভালোবাসে এবং তাদের ফিউচারের তাগিদে প্রাকটিস করছিল। তাদের কিন্তু সবকিছু থমকে গেছে।’

ঘরোয়া ক্রিকেট শুরু হওয়ায় খুশি হয়েছিলেন ক্রিকেটাররা। বিজয় বলেন, ‘খেলাটা আবার ফেরত আসল, আমরা সবাই খুশি হলাম। ঐভাবে চলতে ছিল। আবার করোনার কারণে আবার কিন্তু হুমকিত মুখে সবাই। যে কি হবে? ফিউচারটা কেমন হবে? লকডাউন করতে করতে তিন-চার মাস, ছয় মাস কিন্তু শেষ হয়ে গেছে। আদৌ এর অবস্থান কি রকম দাঁড়াবে, ফিনিশিং টাচটা কোথায়—এগুলো নিয়ে আমরা সবাই সন্দিহান। তাই অবশ্যই খারাপ লাগার বিষয়।’