দুই শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় সাত জন নিহত হয়েছেন। গত শুক্রবার ও গতকাল শনিবার এসব দুর্ঘটনা ঘটে। প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর-
বাসাইল (টাঙ্গাইল) : সখিপুরে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইমন নামে এক কলেজ ছাত্র নিহত হয়েছেন। গত শুক্রবার সাগরদীঘি-সখিপুর সড়কের কালিয়া বাজার সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ইমন বাসাইল উপজেলার নাইকানীবাড়ি গ্রামের প্রবাসী মজিবুর রহমানের বড় ছেলে এবং টাঙ্গাইল সৃষ্টি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।
বরগুনা (উত্তর) : রিকশা-টমটমের সংঘর্ষে দুই জন নিহত হয়েছে। নিহতরা হলেন, উজ্জল (২৬) ও চয়ন (১৬)। গতকাল শনিবার বরগুনা মহাসড়কের পূর্বাঞ্চল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। উজ্জল পূর্বাঞ্চল এলাকার চায়ের দোকানদার ও চয়ন একই এলাকার এইচএসসি ২য় বর্ষের ছাত্র।
মাগুরা :বালু ও সিমেন্ট বোঝাই নাটাগাড়ি উলটে রবিন মোল্যা (১৫) নামে এক স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে। গতকাল মাগুরা শহরতলীর নিজনান্দুয়ালী মধ্যপাড়া জামে মসজিদ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। রবিন পৌর এলাকার নিজনান্দুয়ালী গ্রামের গোলাম মোল্যার ছেলে ও স্থানীয় ডিইউ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের এ বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী।
মুন্সীগঞ্জ : শ্রীনগরে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে সড়কে ভ্যাকুর চাপায় মো. জুলহাস (৫২) নামে এক অটোচালক নিহত হয়েছেন। ভ্যাকু চালক মাসুম হোসেন মার্জনকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। সার্ভিস রোডে বেজগাঁও বাসস্ট্যান্ডের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জুলহাস স্থানীয় পাটাভোগ ইউনিয়নের মশুরগাঁও গ্রামের বাসিন্দা।
নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা) :গুরুতর আহত বাহরাইন প্রবাসী এমরান হোসেনের (৩২) মৃত্যু হয়েছে। এসময় তার স্ত্রী মীমও গুরুতর আহত হয়েছেন। এমরান নাঙ্গলকোটের পেড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর শাকতলী গ্রামের মুন্সী বাড়ির আবুল কাশেমের ছেলে। গত শুক্রবার এমরান তার স্ত্রীসহ মোটরসাইকেলযোগে শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছিলেন। পথে লাকসাম-চৌদ্দগ্রাম সড়কের নরপাটি জোড় খেজুরগাছ এলাকায় মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) :রানীগঞ্জ ইউনিয়নে পিকআপ ভ্যান-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে আরোহী রাজন মিয়া (৩০) নিহত হয়েছেন। গত শুক্রবার নারিকেলতলা এলাকায় জগন্নাথপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। রাজন জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া মাঝপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।