জয়পুরহাট প্রতিনিধি
করোনা প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় সরকার আজ সোমবার থেকে এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন ঘোষণা করেছে। আর এতে জয়পুরহাট জেলা শহরে রবিবার উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এতে শহরে দীর্ঘ সময় ধরে যানজটের সৃষ্টি হয়। ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক জামিরুল ইসলাম জানান, হঠাত্ করেই শহরে সাধারণ মানুষের আনাগোনা বেড়ে যায়। এতে ট্রাফিক ব্যবস্থা সচল রাখতে অনেকটা হিমশিম খেতে হয় ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের। জেলা শহরের সাহেব বাজারে আসা ক্রেতা জুলফিকার আলী জানান, এক সপ্তাহ লকডাউন দিয়েছে সরকার তাই এক সপ্তাহের জন্য কাঁচাবাজারসহ অন্যান্য বাজার করছি। পূর্ব বাজারে দেখা গেছে, চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপণ্যের দোকানে ক্রেতাসমাগম বেশি। জয়পুরহাট প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক খ ম আব্দুর রহমান রনি বলেন, ঈদের মার্কেটেও এত ভিড় দেখা যায় না। জেলা প্রশাসক মো. শরীফুল ইসলাম জানান, সরকার ঘোষিত লকডাউন পুরোপুরিভাবে পালন করতে সব ব্যবস্থা নিয়েছে জেলা প্রশাসন। এ ব্যাপারে জনগণকে সচেতন করতে জেলা তথ্য অফিসের মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা বলেন, লকডাউন না মানলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সদরপুর বাজারে ক্রেতাদের
উপচে পড়া ভিড়
সদরপুর (ফরিদপুর) সংবাদদাতা
লকডাউনের খবরে সদরপুর উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। গত শনিবার সরকার সারা দেশে লকডাউনের খবর ঘোষণার পর থেকেই বিভিন্ন হাটবাজারে ভিড় বেড়ে যায়। বেশির ভাগ মানুষ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ ও আলু কিনে মজুত করছে। দেশে সোমবার থেকে এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন শুরু হবে, এ খবর জানার পর থেকেই আতঙ্কের কেনাকাটা শুরু করে দিয়েছে সাধারণ জনগণ। ব্যবসায়ীরা জানান, ক্রেতাদের মজুতের কারণে বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারের জন্য কষ্টকর হয়ে যাবে এবং পণ্য চাহিদা মতো না দিতে পারলে বাজার ঊর্ধ্বমুখী হবে। অন্যদিকে বেশির ভাগ ক্রেতা জানান, একদিকে লকডাউন, অন্যদিকে সামনে রোজা, তাই একসঙ্গে কিছু বাজার করে রাখছি। যাতে করে পরে কোনো সমস্যায় না পড়তে হয়।