মাস্ক না পরাসহ বিভিন্ন অপরাধে পৌনে ২ লাখ টাকা জরিমানা

লকডাউনে ডিএনসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালত

ইত্তেফাক রিপোর্ট

লকডাউন নিশ্চিতকরণে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান চালিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। খাবার হোটেল খোলা রেখে খাবার পরিবেশন করা, সঠিকভাবে মাস্ক না পরাসহ বিভিন্ন অপরাধে প্রায় পৌনে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল সোমবার ডিএনসিসির বিভিন্ন অঞ্চলে এ অভিযান চালায় তারা। কাওরান বাজার অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদ হোসেনের নেতৃত্বে কাওরান বাজারের প্রধান সড়ক থেকে সব অবৈধ ভাসমান দোকান অপসারণ করা হয়। এ সময় দুটি হোটেলের ভেতরে লোকজনকে খাবার পরিবেশনের অপরাধে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। সঠিকভাবে মাস্ক ব্যবহার না করার অপরাধে ১৮ জনকে ১ হাজার ৮০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একটি হার্ডওয়্যারের দোকান খোলা রাখায় ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ফুটপাতে মালামাল রাখার জন্য দুই জনকে ১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া রাস্তায় পেঁয়াজ মজুত করায় তা জব্দ করে নিলামে ৪ হাজার ২০০ টাকা বিক্রি করা হয়েছে।

মিরপুর-১০ অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালেহা বিনতে সিরাজের নেতৃত্বে মিরপুর এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এ সময় সংক্রামক ব্যাধি (প্রতিরোধ, প্রতিকার ও নির্মূল) আইন অমান্য করার অপরাধে ১৫টি মামলায় মোট ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাজওয়ার আকরাম সাকাপি ইবনে সাজ্জাদের নেতৃত্বে নিকুঞ্জ এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় তিনটি মামলায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। হরিরামপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিয়া আফরিনের নেতৃত্বে উত্তরা সেক্টর ১১, ১২, ১৩ ও ১৪ এর সোনারগাঁও জনপদ অ্যাভিনিউ, শাহ মখদুম অ্যাভিনিউ, গাউসুল আজম অ্যাভিনিউ রোডসহ বিভিন্ন রোডে লকডাউন নিশ্চিতের লক্ষ্যে অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় মাইকিং করে জনগণকে আবশ্যিকভাবে মাস্ক পরিধানের বিষয়ে এবং অপ্রয়োজনে বাইরে বের না হওয়ার জন্য সতর্ক ও সচেতন করা হয়। অভিযান চলাকালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন থেকে ৫০টি মাস্ক বিতরণ করা হয়। ফুটপাত অবৈধভাবে দখল করে মালামাল রাখায় একটি দোকানকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। দক্ষিণখান অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতাকাব্বির আহমেদের নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট হাজি ক্যাম্প এলাকায় সাতটি মামলায় মোট ১০ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।