লকডাউনে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ গত বছরের লকডাউনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে পূর্ব থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছে। একইভাবে চট্টগ্রাম কাস্টমস ও আমদানি-রপ্তানি স্বাভাবিক রাখতে ইতিমধ্যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সরকারি নির্দেশনার আলোকে চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টমস তাদের জনবলকে দুই ভাগে ভাগ হয়ে এক দিন পরপর কাজ করার উদ্যোগ নিয়েছে। এক ভাগ এক দিন কাজ করার পর মধ্যে এক দিন বিরতি দিয়ে আবার কাজ করবেন।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক) সূত্রে জানা যায়, লকডাউন ও করোনার ঊর্ধ্বমুখী অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বন্দরে যাতে কনটেইনার জট সৃষ্টি না হয় কিংবা যে কোনো প্রকার অচলাবস্থা থেকে রক্ষা পেতে ইতিমধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও চট্টগ্রাম কাস্টমসের সঙ্গে বৈঠক করেছে চবক। গত বছর ২৬ মার্চ লকডাউনের পরবর্তী সময়ে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার জটসহ এক অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে গত বছর সাধারণ ছুটির আওতায় সব কল-কারখানাসহ সরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। কিন্তু এবার কল-কারখানাসহ সেবামূলক প্রতিষ্ঠানসমূহ স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড চালু থাকায় আমদানি-রপ্তানি স্বাভাবিক সময়ের ন্যায় চলবে। এতে বন্দরে আসা আমদানিকৃত শিল্পের কাঁচামালসহ অন্যান্য স্বাভাবিক সময়ের ন্যায় খালাসে বাধা থাকবে না। গত বছর কাস্টমস প্রথম দিকে শুধু নিত্যপণ্য সামগ্রী ছাড় দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিলেও এবার সব পণ্য খালাস স্বাভাবিক রাখছে বলে জানা যায়।
চট্টগ্রাম বন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) এনামুল করিম জানান, বন্দর লকডাউনের বিষয় মাথায় রেখে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ শাহজানের নেতৃত্বে বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রস্তুত রয়েছেন।