স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করায় জরিমানা

লকডাউনে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। গতকাল মঙ্গলবার সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে প্রায় ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ডিএনসিসির প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল হামিদ মিয়ার নেতৃত্বে গুলশান-২ নম্বর এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এ সময় লাইসেন্সবিহীন এবং ফুটপাতের জায়গা অবৈধভাবে দখল করে ব্যবসা করা, মাস্ক না পরায় আট জনকে ৩৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় জাহিদ প্লাজায় অসামাজিক কার্যকলাপে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে অভিযান পরিচালনাকালে হিল্টন থাই স্পার সবাই পিছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যায়। গুলশান ১১৩ নম্বর রোডের ২৩/বি-এর ষষ্ঠ তলায় হিল্টন থাই স্পার আরেকটি শাখায় অসামাজিক কার্যকলাপে সম্পৃক্ত থাকায় তিন জনকে গুলশান থানায় প্রেরণ করা হয়।

মিরপুর-১০ অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালেহা বিনতে সিরাজের নেতৃত্বে দারুসসালাম এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এ সময় মাস্ক ছাড়া রাস্তায় ঘোরাঘুরির অপরাধে ১০ জনকে মোট ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। হরিরামপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিয়া আফরিনের নেতৃত্বে উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টরের সোনারগাঁও জনপথ রোড এবং ময়লার মোড় এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালে যথাযথভাবে মাস্ক না পরার কারণে ১০টি মামলায় মোট ১ হাজার ২৯০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এছাড়া একটি হোটেলের ভেতরে লোকজনকে বসিয়ে খাবার পরিবেশনের অপরাধে হোটেল মালিককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পারসিয়া সুলতানার নেতৃত্বে অঞ্চল ১০-এর ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। মাস্ক না থাকায়, সরকারের জারিকৃত আদেশ অমান্য করায় এবং ট্রেড লাইসেন্স না থাকায় দুটি মামলায় ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। উত্তরখান অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবেদ আলীর নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এ সময় করোনা ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা হয়। সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে ভাটারা অঞ্চলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় মোট আটটি মামলায় ৯ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং জনগণকে সরকারঘোষিত নিষেধাজ্ঞা প্রতিপালনে সচেতন করা হয়।