ভেড়ামারায় অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সানোয়ার হোসেন (৩৫) নামের এক শিক্ষক তার ছাত্রের মা ও বোনকে বঁটি দিয়ে কুপিয়ে আহত করেছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক সানোয়ারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার বিকালে ছাত্রের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেফতার সানোয়ার সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক। তিনি কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার নওদা বহলবাড়িয়া গ্রামের মো. ইদবার আলীর ছেলে। তিনি ভেড়ামারার নওদাপাড়ায় সস্ত্রীক ভাড়া থাকেন। এ ব্যাপারে ঐ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভেড়ামারা থানায় মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীর স্বামী।
জানা যায়, সানোয়ার হোসেন ভেড়ামারা পৌর শহরের নওদাপাড়া এলাকায় দশম শ্রেণির এক ছাত্রকে বাসায় গিয়ে পড়াতেন। একপর্যায়ে তিনি ঐ ছাত্রের মাকে অনৈতিক প্রস্তাব দেন। গত সোমবার আবার ঐ বাড়িতে যান সানোয়ার। এ সময় তার সঙ্গে ছাত্রের মার কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর তিনি রান্নাঘর থেকে বঁটি নিয়ে ঐ নারীর মাথায় ও পেটে আঘাত করেন। এ সময় মাকে বাঁচাতে অনার্স পড়ুয়া মেয়ে এগিয়ে আসলে তাকেও আঘাত করে পালানোর চেষ্টা করেন সানোয়ার। চিত্কার শুনে প্রতিবেশিরা এসে তাকে আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। পরে ভেড়ামারা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) প্রকাশ রায় সানোয়ারকে আটক করেন। মুমূর্ষু অবস্থায় ছাত্রের মাকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার শরীরে ৬২টি সেলাই দেওয়া হয়েছে। এদিকে আহত মেয়েকে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহ্জালাল বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। ঐ শিক্ষককে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।