কৃষিকে আধুনিকায়ন ও লাভজনক করতে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ৫২ হাজার কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ করবে সরকার। এর মধ্যে চলতি বছরেই বিতরণ করা হবে ৫ হাজার ৮০০ কৃষিযন্ত্র।
গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষ থেকে অনলাইনে ‘কৃষি যান্ত্রিকীকরণ’ প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে কৃষকের মধ্যে ‘কম্বাইন হারভেস্টার, রিপারসহ বিভিন্ন কৃষিযন্ত্র’ বিতরণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ১০ থেকে ১৫ বছর আগেও বাংলাদেশের কৃষি ছিল সনাতন পদ্ধতির। চাষাবাদ, মাড়াইসহ সব কাজ মানুষকে শারীরিকভাবে করতে হতো। লাঙলে চাষ হতো। এখন যন্ত্রের মাধ্যমে জমি চাষ ও ফসল মাড়াই হচ্ছে। কিন্তু ধান কাটা ও রোপণ মানুষকে করতে হচ্ছে। এজন্য কৃষি যান্ত্রিকীকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে নেত্রকোনা থেকে ভার্চুয়ালি অংশ নেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরু। এছাড়া মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সারা দেশে থেকে পাঁচ শতাধিক কর্মকর্তা ও কৃষক ভার্চুয়ালি অংশ নেন।
কৃষিযন্ত্রপাতির গুরুত্ব তুলে ধরে কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহ বলেন, চলতি বোরো মৌসুমের ৪৮ লাখ হেক্টর জমির সব ধান যন্ত্র দিয়ে কাটতে পারলে ৫ হাজার ২৭১ কোটি টাকা সাশ্রয় করা সম্ভব হতো।