বন্দুক সহিংসতা রোধে সীমিত পদক্ষেপ নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি অদৃশ্য অস্ত্র বন্ধ করতে বিচার বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছেন। গতকাল হোয়াইট হাউজে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বন্দুক হামলা একটা মহামারি এবং এটা বন্ধ করতে হবে। তবে বন্দুক রক্ষার অধিকার সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনীতে থাকায় খুব বেশি কিছু করার নেই বলেও স্বীকার করেন তিনি। এ বিষয়ে কংগ্রেসকে পদক্ষেপ নেওয়ারও আহ্বান জানান প্রেসিডেন্ট বাইডেন। খবর রয়টার্স ও সিএনএনের
প্রেসিডেন্ট বন্দুক হামলা প্রতিরোধ করতে প্রথমবারের মতো পদক্ষেপ নিলেন। তিনি মূলত অদৃশ্য অস্ত্র বন্ধের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। এসব অস্ত্রের লাইসেন্স থাকে না। ফলে এসব অস্ত্র দিয়ে হামলা হলে পুলিশ অস্ত্র ক্রয়ের কোনো তথ্য পায় না। কারন এতে কোনো নাম্বার থাকে না। আবার অনলাইনে অস্ত্রের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ কিনেও পিস্তলকে রাইফেল বানানো যায়। তিনি ন্যাশনাল ফায়ার আর্মস অ্যাক্ট অনুযায়ী এগুলোর নিবন্ধন করার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট বাইডেন জানিয়েছেন, বছরে দেশে কি পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্রের পাচার হয় তার একটি হিসাব তিনি প্রতি বছর এ সংক্রান্ত কর্তৃপক্ষের কাছে চাইবেন। বাইডেন জানান, হামলায় ব্যবহূত অস্ত্র নিষিদ্ধ করা এবং দেশ জুড়ে ‘রেড ফ্ল্যাগ’ আইন কার্যকরে কংগ্রেসের সমর্থন দরকার।
গতকাল হোয়াইট হাউজের রোজ গার্ডেনে বন্দুক হামলায় নিহতদের স্বজনরাও উপস্থিত ছিলেন। তাদের সামনে বাইডেন বলেন, আমরা এখন অস্ত্রের সংকট নিয়ে লড়াই করছি না, লড়াই করছি জনস্বাস্থ্যের সংকট নিয়ে। তিনি বন্দুক হামলার ঘটনাকে মহামারি বলে উল্লেখ করেন। বুধবারই সাউথ ক্যারোলিনায় এনএফএল খেলোয়াড়ের বন্দুক হামলায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। প্রেসিডেন্ট বাইডেন যখন আগ্নেয়াস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে কথা বলছিলেন তখন তার পাশে ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস এবং অ্যাটর্নি জেনারেল মেরিক গার্ল্যান্ড উপস্থিত ছিলেন।