পহেলা বৈশাখে ১০০ জনের মঙ্গল শোভাযাত্রা করবে চারুকলা অনুষদ

আর মাত্র তিন দিন পরেই পহেলা বৈশাখ। করোনাকালে লোকসমাগম এড়িয়েই মঙ্গল শোভাযাত্রা আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ। ভার্চুয়ালি নয় বরং প্রতীকী আয়োজন নিয়ে ব্যস্ত শিল্পীরা। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ১০০ জনের অংশগ্রহণে বের করা হবে মঙ্গল শোভাযাত্রা। সেভাবেই চলছে প্রস্তুতি। সর্বোচ্চ ১০০ জনের একটি মঙ্গল শোভাযাত্রাটি চারুকলা অনুষদ চত্বরেই সীমাবদ্ধ থাকবে। এক্ষেত্রে যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল সভায় এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সভাসূত্রে জানা গেছে, মঙ্গল শোভাযাত্রা ঘরে বসে উপভোগের জন্য টেলিভিশন চ্যানেলে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নববর্ষ উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের মেলা বা ভ্রাম্যমাণ দোকান বসানো যাবে না। চলমান করোনা পরিস্থিতিতে সশরীরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত না হওয়ার জন্য সর্ব সাধারণের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। এর আগে বুধবার সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পহেলা বৈশাখে লোক সমাগম এড়িয়ে সম্ভব হলে ভার্চুয়ালি উত্সব অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুরোধ করা হয়। তবে সবকিছু মোটামুটি চলমান থাকায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রতীকী উত্সব আয়োজনের পক্ষে অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন আয়োজকরা। চারুকলা অনুষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যথারীতি পহেলা বৈশাখ সকাল ৯টায় মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করা হবে। বড় কোনো স্ট্রাকচারাল ফর্ম এবার রাখা হবে না। চাকা জুড়ে দেওয়া বিশাল ঘোড়া পাখি ইত্যাদি নিয়ে শহর প্রদক্ষিণ করার সুযোগ নেই। তবে একটি বড় চর্কার মতো শিল্পকর্ম রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর বাইরে অংশগ্রহণকারীরা প্রত্যেকে নিজেদের হাতে একটি করে শিল্পকর্ম বহন করবেন। এবার ফেস শিল্ডকেই মুখোশের মতো করে গড়ে নেওয়া হবে। ব্যতিক্রমী এই মুখোশ পরবেন অংশগ্রহণকারীরা। সব মিলিয়ে সীমিত পরিসর হলেও, বিষয়টিকে আকর্ষণীয় করে উপস্থাপন করা হবে।