‘নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর এখন সম্ভাবনার নতুন দিগন্তে’

বিশেষ প্রতিনিধি

স্বাধীনতার পর থেকে অদ্যাবধি যখনই আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সরকার গঠিত হয়েছে তখনই নার্সিং সেক্টরের উন্নয়নে নেওয়া হয়েছে বিশেষ পদক্ষেপ। বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে নার্সদের ভাগ্যের কোনো উন্নয়ন হয়নি। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে একের পর এক উন্নয়নে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর এখন নার্সদের এক স্বপ্নের অধিদপ্তরে রূপান্তরিত হতে শুরু করেছে।

গতকাল নার্সিং সংগঠনের নেতারা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সব কথা বলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৯৭৭ সালে গঠিত সেবা পরিদপ্তর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিক সহযোগিতায় এবং প্রয়াত স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এমপি, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সকলের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় ২০১৬ সালের ১৫ নভেম্বর সেবা পরিদপ্তরকে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরে উন্নীত করা হয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক এমপির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ২০২০ সালের ৫ জুলাই নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর এখন নিজস্ব ভবনে কার্যক্রম শুরু করেছে। অধিদপ্তরের বর্তমান মহাপরিচালক সিদ্দিকা আক্তার ও পরিচালক শিক্ষা, প্রশাসন ও শৃঙ্খলা মোহাম্মদ আবদুল হাইয়ের আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলে বার্ষিক কর্মসম্পাদনে সেরার স্বীকৃতি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল শাখার সভাপতি মোহাম্মদ কামাল হোসেন পাটওয়ারী এজন্য বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।  স্বাধীনতা নার্সেস পরিষদ এর কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব মো. ইকবাল হোসেন সবুজ বলেন, নার্সিং সেক্টরের সামগ্রিক উন্নয়নে একমাত্র আওয়ামী লীগ সরকারই মনপ্রাণ দিয়ে কাজ করে। নার্সদের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীকেও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।