সৈকতে ভেসে এলো আরো একটি মৃত তিমি

কক্সবাজারের হিমছড়ি সৈকতে শুক্রবার দুপুরে জোয়ারের সঙ্গে ভেসে আসা মরা তিমিটি রাত ১টার দিকে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে। গবেষণার জন্য হাড় ও অন্য প্রত্যঙ্গ সংগ্রহের লক্ষ্যে পুঁতে ফেলা স্থানটি সংরক্ষণ করছে সমুদ্র ও মত্স্য গবেষণা ইনস্টিটিউট সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে শুক্রবারের মরা তিমির দেহ পুঁতার ৫ ঘণ্টার মাথায় আরো একটি মরা তিমি বালিয়াড়িতে উঠে এসেছে। হিমছড়ি সৈকতে শুক্রবার পাওয়া মৃত তিমিটির স্থান হতে প্রায় ৫০০ মিটার দক্ষিণে শনিবার ক্ষুদ্রকায় তিমির মরদেহ জোয়ারের পানিতে এসে ভাটায় বালিতে আটকে গেছে। ২৫-৩০ ফুট লম্বা এ তিমিটিও অর্ধগলিত এবং দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল। এমনটি জানিয়েছেন কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের সদর রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা সমীর কুমার সাহা। রেঞ্জ কর্মকর্তা আরো জানান, শুক্রবারের তিমির চেয়ে এটি সাইজে ছোট। ধারণা করা হচ্ছে এটিও আগে মরে ভাসতে ভাসতে ঢেউয়ে তীরে উঠে এসেছে। শনিবার সন্ধ্যায় এটিও পুঁতে ফেলা হয়েছে।

বাংলাদেশ মত্স্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আশরাফুল হক জানান, শুক্রবার ও শনিবার তীরে উঠে আসা মরা প্রাণীদ্বয় নীল তিমি গ্রুপের ব্রাইড হুয়েল প্রজাতি। দুটি-ই প্রাপ্ত বয়স্ক। এটি আমাদের বঙ্গোপসাগরেরই বাসিন্দা। তিমি সাধারণত দল বেঁধে চলে। কোনো কারণে দলছুট হলে অনেক সময় তিমি মারা যায়। ভেসে আসা তিমিদ্বয়ের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে এবং এসব তিমি আরো অন্তত সপ্তাহ দেড়েক আগে মারা গেছে বলে ধারণা তার।