খণ্ডকালীন পেশাকে সম্মান দিন

করোনা পরিস্থিতিতে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ। অনেক প্রতিষ্ঠান করোনার কারণে কর্মী ছাঁটাই করেছে। যার কারণে বেড়ে গেছে বেকারত্ব। অন্যদিকে এক দল তরুণ যোগ দিয়েছেন ডেলিভারি ম্যান ও রাইড শেয়ারিংয়ের মতো খণ্ডকালীন পেশায়। এর থেকে যা আয় হচ্ছে তা দিয়ে নিজের পকেট খরচ চালানোর পাশাপাশি অনেকে পরিবারকেও সহায়তা করছেন। যার ফলে তাঁদের মধ্যে হতাশাও ভর করতে পারছে না। তাই করোনাকালে এই পেশাগুলোকে তরুণদের জন্য আশীর্বাদই বলা চলে। কিন্তু সমাজের এক শ্রেণির মানুষ এই পেশাকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন না। তরুণরা কেন এই পেশায় আসছে এ নিয়ে তাদের অভিযোগের শেষ নেই! তরুণদের কোনো উত্পাদনশীল কাজে লাগিয়ে তাঁদের এই কর্মহীন সময়কে কাজে লাগানোর ব্যবস্থা করার মতো পথও তাঁদের জানা নেই। তাঁরা শুধু পারেন সমালোচনা করে তরুণদের নিরুত্সাহিত করতে। আমাদের এই চিন্তা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। কাজ ছোট হলেও সেই কাজকে সম্মান জানানোর মতো মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে। এই ছোট ছোট কাজের অভিজ্ঞতাই পরবর্তী সময়ে তরুণদের বড় কাজের উদ্যোগ নিতে অনুপ্রাণিত করবে।

মো. রাসেল মিয়া

শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া