করোনা ভাইরাসজনিত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের অধস্তন আদালতে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে বিচার কাজ পরিচালনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। ঐ সিদ্ধান্ত মোতাবেক শুধু জামিন ও অতীব জরুরি ফৌজদারি দরখাস্তসমূহের শুনানি গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করবেন বিচারকরা।
গতকাল রবিবার রাতে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নির্দেশে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে সুপ্রিম কোর্ট।
এতে বলা হয়েছে, আজ সোমবার থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে জামিন ও অতীব জরুরি ফৌজদারি দরখাস্তসমূহ নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে আদালত ও ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম পরিচালনা
করতে হবে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে উক্ত সময়ে (সাপ্তাহিক ছুটি ও সরকার কর্তৃক বর্ষপঞ্জিতে ঘোষিত ছুটি ব্যতীত) দেশের প্রত্যেক জেলার জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর এলাকার মহানগর দায়রা জজ, নারী
ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক, শিশু আদালতের বিচারক এবং চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিজে অথবা তার নিয়ন্ত্রণাধীন এক বা একাধিক ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা শুধু জামিন ও অতীব জরুরি ফৌজদারি দরখাস্তসমূহ নিষ্পত্তি করার উদ্দেশ্যে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে আদালতের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগ হতে প্রদত্ত জামিন আদেশের ক্ষেত্রে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জামিননামা দাখিল করতে হবে। এছাড়াও সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় প্রত্যেক চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এক বা একাধিক ম্যাজিস্ট্রেট যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক শারীরিক উপস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করবেন।