নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় চলাচলে দুর্ভোগ

রাণীনগর-কালীগঞ্জ সড়ক

আব্দুর রউফ রিপন, রাণীনগর (নওগাঁ) সংবাদদাতা

নওগাঁর রাণীনগর হয়ে কালীগঞ্জ যাওয়ার ২২ কিলোমিটার সড়ক বেহাল হয়ে আছে। প্রশস্তকরণ ও নির্মাণকাজ দীর্ঘদিনেও শেষ না হওয়ায় সড়কটিতে চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কার্পেটিং তুলে রোলার দিয়ে ফেলে রাখায় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ সড়কে প্রতিনিয়তই ঘটছে দুর্ঘটনা। সড়ক ও জনপদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, রাণীনগর-আবাদপুকুর-কালীগঞ্জ ২২ কিলোমিটার সড়কটি ছিল এলজিইডির আওতায়। পরে এলজিইডি থেকে সড়ক ও জনপথ বিভাগে হস্তান্তর করা হয়। রাস্তা, কালভার্ট ও সেতু নির্মাণে সময় দেওয়া হয় ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। কিন্তু ঐ সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, অধিকাংশ সেতু-কালভার্ট ভেঙে কাজ না করেই ফেলে রাখা হয়েছে। পথচারী ও যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা এই ভোগান্তি পোহাচ্ছি। ভারী মালামাল পরিবহন, জরুরি রোগী নিয়ে রাস্তায় চলাচল করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। যানবাহন চালকরা বলেন, যাত্রীরা রাস্তার ধুলাবালি ও খানাখন্দের কারণে সড়কটি দিয়ে চলাচল করতে চায় না। রাণীনগর থেকে আবাদপুকুর পর্যন্ত যেতে আগে সময় লাগত ১০ মিনিট, এখন সড়কের এমন দশার কারণে যেতে সময় লাগে ৩০-৪০ মিনিট। রাণীনগর থেকে কালীগঞ্জ যেতে প্রায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় লাগছে। এই সড়কটিকে ঘিরে আমরা চরম দুর্ভোগে পড়েছি।

নওগাঁ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সাজেদুর রহমান সাজিদ বলেন, ‘নির্দিষ্ট সময়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শেষ করতে পারেনি। দ্রুত এই সড়কের কাজ শেষ করার জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বারবার তাগাদা দেওয়া হয়েছে। যদি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সঠিক সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে না পারে তাহলে তার চুক্তিনামা বাতিল করাসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো. আনোয়ার হোসেন হেলাল বলেন, ‘জনস্বার্থে দ্রুত সড়কটির কাজ শেষ করতে সংশ্লিষ্টদের অবগত করা হয়েছে। আমি সড়ক ও জনপদ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তাব্যক্তি বরাবর লিখিতভাবে আবেদনও জানিয়েছি। আশা করছি দ্রুতই এই দুর্ভোগ থেকে রক্ষা পাবেন এলাকাবাসী।’