চরমোন্তাজে শুঁটকি তৈরিতে ব্যস্ত শ্রমিকরা

মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি

রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা

রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের শুঁটকিপল্লিতে শুঁটকি তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন নারী শ্রমিকরা। সেখানে গাদাগাদি করে কাজ করছেন তারা। করোনার সংক্রমণের সময়ে শুঁটকিপল্লিতে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, প্রায় চার শতাধিক শ্রমিক ঐ শুঁটপিল্লিতে কাজ করছেন। জানা গেছে, তিন থেকে সাত দিনের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী নিয়ে গভীর সাগরে মাছ শিকারে যাত্রা শুরু করেন জেলেরা। খাদ্যসামগ্রী শেষ হওয়ার আগেই সাগর থেকে মাছ ধরে আসা ট্রলারগুলো নির্ধারিত শুঁটকিপল্লিতে নোঙর করে। সেখান থেকে মাছ নেওয়া হয় শুঁটকিপল্লিতে। সামাজিক দূরত্ব না মেনে এ কাজে যুক্ত আছেন কয়েকশ শ্রমিক। স্থানীয়রা জানান, প্রশাসনের নাকের ডগায় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের শুঁটকি তৈরিতে কাজ করছেন তারা। এছাড়াও প্রতিটি হাটবাজারে মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। প্রতিদিনের মতো চরমোন্তাজ থেকে বিভিন্ন স্থানে ছেড়ে যাচ্ছে যাত্রীবাহী ট্রলার। সরকারঘোষিত কঠোর লকডাউন না মানলে উপকূলে করোনা সংক্রমণ বাড়তে পারে বলে মনে করছে সচেতন মহল।

চরমোন্তাজ ইউনিয়নের মো. আইউব বলেন, ‘লকডাউনে সামাজিক দূরত্বসহ মাস্ক না পরে সবাই যেভাবে বাজারে আসছেন, এতে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পেতে পারে। এখনই প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে, তা না হলে পরে করোনা সংক্রমণের বৃদ্ধি ঠেকানো যাবে না। রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাশফাকুর রহমান জানান, ‘লকডাউন সফল করার লক্ষ্যে নদীপথে যাত্রীবাহী সব নৌযান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারি নির্দেশনা মানতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব প্রচারণা অব্যাহত আছে। স্বাস্থ্যবিধি মানতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।’