শেরপুরে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় তিন ধর্ষক গ্রেফতার

বগুড়ার শেরপুরে কাজের খোঁজে এসে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে স্বামী পরিত্যক্তা এক নারী। এ ঘটনায় ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। অন্যদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় সুপারের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

শেরপুর (বগুড়া) সংবাদদাতা জানান, শেরপুরে কাজের খোঁজে আসা স্বামী পরিত্যক্তা এক নারী (২৬) বৃহস্পতিবার রাতে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন। এ সময় ধর্ষণের শিকার ঐ নারীর চিত্কারে আশপাশের লোকজন এসে তিন ধর্ষণকারীকে হাতেনাতে আটক করেন। পরে গণধোলাই দিয়ে তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন-উপজেলার বাগড়া হঠাত্পাড়া গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে মামুন প্রামাণিক, একই গ্রামের আবুল সেখের ছেলে আব্দুল খালেক  ও পৌরশহরের উত্তরসাহাপাড়া এলাকার সাইফুল সরকারের ছেলে সোহাগ সরকার।

শেরপুর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, গণধর্ষণের শিকার ঐ নারী বাদি হয়ে থানায় মামলা করেছেন। পরে তার ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য শুক্রবার বগুড়ায় শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেই সঙ্গে গ্রেফতার তিন ব্যক্তিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সংবাদদাতা জানান, উপজেলার রাইতলা গ্রামে মাদ্রাসা সুপারের ধর্ষণের শিকার হয়েছে ১২ বছরের এক ছাত্রী। এ বিষয়ে কসবা থানায় মামলা হলে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান মাদ্রাসা সুপার মাওলানা নুরুল্লাহ ওরফে নুরুল হক। মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১০ এপ্রিল উপজেলার রাইতলা গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার ফোরকানীয়া মাদ্রাসার সুপার মাওলানা নুরুল্লাহ ওরফে নুরুল হকের কাছে অন্যান্য ছাত্রীর সঙ্গে প্রতিদিনের মতো আরবি পড়তে যায় ঐ ছাত্রী। এ সময় অন্যান্য ছাত্রীরা বাড়িতে চলে গেলে একা পেয়ে ঐ ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে সুপার। গত ১৩ এপ্রিল ঐ ছাত্রীর মা কসবা থানায় ধর্ষক নুুরুল্লাহ ওরফে নুরুল হক ওরফে নুরুল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।