ছবিতে কবরীকে চিরবিদায়

কিংবদন্তি অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরীর আসল নাম মিনা পাল। ১৯৫০ সালের ১৯ জুলাই চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে তার জন্ম। ১৯৬৩ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে নৃত্যশিল্পী হিসেবে মঞ্চে অভিষেক হয় তার। ১৯৬৪ সালে সুভাষ দত্তের ‘সুতরাং’ ছবির মাধ্যমে অভিনয় জীবন শুরু করেন কবরী। তারপর একের পর এক সফল সিনেমা দিয়ে দর্শকদের মনে স্থায়ী আসন গেড়েছেন তিনি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে সে বছরের ১৯ এপ্রিল পরিবারের সদস্যদের সাথে ঢাকা থেকে প্রথমে গ্রামের বড়ি এবং পরে সেখান থেকে ভারতে পাড়ি জমান তিনি।

রাজধানীর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে শুক্রবার রাত ১২টার দিকে তিনি মারা যান। শনিবার (১৭ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে হাসপাতাল থেকে তার মরদেহ বাসায় নেওয়া হয়। এ সময় সেখানে উপস্থিত হন তার দীর্ঘদিনের সহকর্মী, আত্মীয়-স্বজন, পরিবারের সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীরা। ছবি: ইত্তেফাক 

বাসা থেকে তাকে বনানী কবরস্থানে নেওয়া হয়। এসময় তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। ছবি: ইত্তেফাক


চলচ্চিত্র শিল্প সমিতির পক্ষ থেকে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন সভাপতি মিশা সওদাগর ও জায়েদ খান।

জানাজা নামাজের আগে মায়ের জন্য দোয়া চান কবরীর ছেলে শাকের চিশতী।

 সারাহ বেগম কবরীকে কবরের দিকে নেওয়া হচ্ছে। ছবি: ইত্তেফাক

 সারাহ বেগম কবরীকে কবরে নামানো হচ্ছে। ছবি: ইত্তেফাক

 সারাহ বেগম কবরীকে কবরে নামান তার ছেলে শাকের চিশতী। ছবি: ইত্তেফাক

চিরনিদ্রায় সারাহ বেগম কবরী। ছবি: ইত্তেফাক


লাল-সবুজে ঢেকে দেওয়া হয় তার সমাধি।

সব শেষে সারাহ বেগম কবরীর আত্মার মাগফিরাতের জন্য দোয়া করা হয়। ছবি: ইত্তেফাক