ভেঙে গেছে কাঁচা ঘর ফসলের ক্ষতি

পঞ্চগড় ও রৌমারীতে কালবৈশাখী

ইত্তেফাক ডেস্ক

পঞ্চগড় ও কুড়িগ্রামের রৌমারীতে গত শুক্রবার রাতে কালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টিতে ফসলের ক্ষতি হয়েছে। এ সময় কাঁচা ঘরবাড়ি ও গাছপালা ভেঙে পড়ে। প্রতিনিধি ও সংবাদদাতার পাঠানো খবর :

পঞ্চগড় :কালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টিতে বেশ কিছু কাঁচা ঘর ও গাছপালা ভেঙে গেছে। দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুিবহীন ছিল পুরো জেলা। শুক্রবার রাত ৯টার পর থেকে এই ঝড়ের প্রভাব শুরু হয়। উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, বিশেষ করে ভুট্টা ও মরিচের। এছাড়া আম ও লিচুর ক্ষতি হয়েছে। তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের সিনিয়র সহকারী আবহাওয়া পর্যবেক্ষক জিতেন্দ্রনাথ জানান, শুক্রবার রাত ১১টা পর্যন্ত চলমান বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ১৪ দশমিক শূন্য মিলিমিটার। বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৪৭ কিলোমিটার। জেলা প্রশাসক ড. সাবিনা ইয়াসমিন জানান, ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে বেশ কিছু কাঁচা ঘরবাড়ি, গাছপালা ভেঙে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। উঠতি কিছু ফসলের ক্ষতি হয়েছে। তাত্ক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। ক্ষয়ক্ষতির তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) :উপজেলায় কালবৈশাখীতে বসতবাড়ি, গাছ ও বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। শুক্রবার রাত ১১টা ২০ মিনিটে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রচণ্ড বেগে এলোমেলো বাতাস ও ঝড় বয়ে যায়। এ সময় গাছপালাসহ ধান, ভুট্টা, পাট, শাকসবজি ও অন্যান্য ফসল মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। মৌসুমি ফল আমের মুকুল ঝরে পড়ে। এতে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি হয়। বন্দবেড় গ্রামের কৃষক আরিফুল ইসলাম মিঠু জানান, ‘আমি ৩১ শতক জমিতে অনেক কষ্ট করে ভুট্টা চাষ করেছি। কালবৈশাখীতে ভুট্টা মাটিতে পড়ে যায়। শিবেরডাঙ্গি গ্রামের কৃষক ইসমাইল হোসেন বলেন, গত রাতের কালবৈশাখীতে আমার ভুট্টাক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহরিয়ার হোসেন জানান, উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে ৫৭ হেক্টর ভুট্টা, ইরিবোরো ধান ৩ হেক্টর ও ৫ হেক্টর জমির শাকসবজির ক্ষতি হয়েছে।