নারায়ণগঞ্জে লঞ্চ দুর্ঘটনা জেলা প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদনে ২১ সুপারিশ

স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ

নারায়ণগঞ্জের সদর উপজেলার সৈয়দপুর কয়লাঘাট এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীতে কার্গো জাহাজের ধাক্কায় যাত্রীবাহী লঞ্চ ডুবিতে ৩৫ জন নিহতের ঘটনায় গঠিত দুইটি কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। আরো একটির তদন্তের কাজ চূড়ান্তভাবে শেষ হলেও লকডাউনের জন্য জমা দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কমিটি। দুইটি প্রতিবেদনে কার্গো জাহাজের বেপরোয়া গতি, চালকের উদাসীনতা দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কমিটির কেউ কার্গো জাহাজের মালিকের নাম বলতে রাজি হয়নি। নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খাদিজা তাহেরা ববি জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহর কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন, ‘লঞ্চ ডুবির ঘটনায় তদন্ত কমিটি আজ (গতকাল) বিকালে ২৬ পৃষ্টার একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। তাতে ২১টি সুপারিশ দেওয়া হয়েছে।  দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘কার্গো জাহাজটির বেপরোয়ার গতি ছিল, সিগন্যাল মানেনি, চালকের উদাসীনতা ছিল, সরু নদী পথসহ তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতু নির্মাণ প্রকল্পের স্থাপনার ত্রুটি আছে।’ এর আগে গত ১২ এপ্রিল নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। সেই প্রতিবেদনেও কার্গো জাহাজটির বেপরোয়া গতি দুর্ঘটনার প্রধান কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। তাতে ২৩টি সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়াও বিআইডব্লিউটিএর তদন্ত কমিটির কাজ চূড়ান্তভাবে শেষ হয়েছে। লকডাউনের জন্য জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি। খুব শিগিগরই জমা দেওয়া হবে।