রাজশাহীতে খুনের আসামির বাড়ি পাহারা দিচ্ছে পুলিশ!

রাজশাহীতে হত্যা মামলার তিন আসামির বাড়ি ছয় দিন ধরে পাহারা দিচ্ছে পুলিশ। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর হামলার আশঙ্কায় মহানগরীর হেতেমখাঁ এলাকায় তিনতলা বাড়িটি পালা করে পাহারা দেওয়া হচ্ছে। গত ১০ এপ্রিল  রাতে ঐ বাড়ির মাধব কুমার সরকারের (৩৮) ছুরিকাঘাতে আনসার বাহিনীর সদস্য মিজানুর রহমান মিজান (৩০) প্রাণ হারান।

হেতেমখাঁ এলাকারই বাসিন্দা মিজান আনসার বাহিনীর হ্যান্ডবল খেলোয়াড় ছিলেন। মাধব ছিলেন তার বন্ধু। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র মাধব তাকে ছুরিকাঘাত করেন। এরপর মাধবসহ আরো কয়েক জন মিজানকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিত্সক মিজানকে মৃত ঘোষণা করেন। তখন মাধব পালিয়ে যায়। এরপর রাতেই ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মাধবের বাড়িতে              হামলার চেষ্টা করে। পুলিশ গিয়ে তখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। এরপর মাধব রাতেই গ্রেফতার হলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। কিন্তু এখনো তার বাড়িতে হামলার আশঙ্কায় পুলিশের দুটি দল পালা করে পাহারা দিচ্ছে।

সেখানে দায়িত্বরত বোয়ালিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম বলেন, কয়েক দিন আগে যে খুনের ঘটনা ঘটল, সে জন্য বাড়িটিতে হামলার আশঙ্কা আছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বাড়িটি পাহারা দেওয়া হচ্ছে।

নগরীর বোয়ালিয়া থানার ওসি নিবারণ চন্দ্র বর্মন জানান, মিজান হত্যা মামলায় তিন জনকে আসামি করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত মাধব ছাড়া অন্য দুই আসামি হলেন—মাধবের ভাই যাদব কুমার সরকার (৩২) ও চাচাতো ভাই মিলন কুমার সরকার (২৮)। তারা তিন জনই ঐ ভবনে থাকতেন। ঘটনার পর থেকে যাদব ও মিলন পলাতক রয়েছেন। ওসি জানান, মাধবকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। তিনি মিজানকে খুনের স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। পলাতক দুই আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।