শো ক শ্র দ্ধা য় ও য়া সি ম
বিনোদন রিপোর্ট
না ফেরার দেশে চলে গেলেন সোনালি দিনের সুপারস্টার চিত্রনায়ক ওয়াসিম। গুরুতর অসুস্থাবস্থায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় তিনি ১৭ এপ্রিল দিবাগত রাত ১২টায় ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। গতকাল বাদ জোহর রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। গুণী এই অভিনেতার জানাজায় তার পরিবার, আত্মীয়স্বজনসহ চলচ্চিত্রে অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালে সহকারী পরিচালক হিসেবে চলচ্চিত্র যাত্রা শুরু করেন ওয়াসিম। এরপর ১৯৭৪ সালে নির্মাতা মোহসীনের ‘রাতের পর দিন’ ছবির মাধ্যমে নায়ক হিসেবে অভিষেক হয় তার। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। এরপর ‘রাজদুলারী’, ‘ডাকু মনসুর’, ‘চন্দন দ্বীপের রাজকন্যা’, ‘দি রেইন’, ‘দোস্ত দোশমন’সহ প্রায় দেড় শতাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি।
অঞ্জনা
আরেকটি নক্ষত্রের পতন। আমাদের বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তী শক্তিমান চিত্রনায়ক ওয়াসিম ভাই আমাদের ছেড়ে না ফেরার দেশে পাড়ি দিয়েছেন। আমার সঙ্গে অসংখ্য সুপার-বাম্পারহিট চলচ্চিত্রের নায়ক হিসেবে তিনি অভিনয় করেছেন। আপনি বেঁচে থাকবেন আপনার অমর কাজের মাধ্যমে, বাংলা চলচ্চিত্রের স্বপ্নিল আকাশে উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে।
শাকিব খান
আবারো চলচ্চিত্রাঙ্গনে শোকের মাতম। একের পর নক্ষত্রের পতনে শূন্য হয়ে যাচ্ছে এ মাধ্যমটি। কবরী আপা চলে যাওয়ার বিষাদের মধ্যে সোনালি দিনের জনপ্রিয় নায়ক ওয়াসিম আঙ্কেল মারা গেলেন। সোনালি অতীতের চলচ্চিত্র ও তত্কালীন স্টারদের প্রসঙ্গ এলে প্রথমসারির নায়কদের কাতারে আসে ওয়াসিম আঙ্কেলের নাম। তিনি ছিলেন সুঠাম, সুদর্শন ও পরিপূর্ণ এক নায়ক। তার চলে যাওয়ায় আরো এক অভিভাবক হারালো বাংলা চলচ্চিত্র।
ওমর সানী
আমার ছোটবেলার স্বপ্নের নায়ক ওয়াসিম ভাই। তাকে দেখার জন্য এফডিসির গেটের দারোয়ানের, থাক সে কথা। সুপারস্টার কাকে বলে, তাকে আমি দেখেছি। তার মৃত্যুর সংবাদ মেনে নিতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। আর পারছি না। আল্লাহ তাকে জান্নাত নসিব করুন।