সাভারে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন দুই নারী। পৃথক এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত দুই জনকে আটক করেছে। রবিবার রাতে ব্যাংক টাউন ও হেমায়েতপুর এলাকা থেকে পুলিশ তাদের আটক করে।
পুলিশ জানায় , গত ১৪ এপ্রিল রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে এক নারী (২২) তার স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া করে সাভারের ব্যাংক টাউন এলাকায় তার পূর্বপরিচিত সুলতান মিয়া (২৮) নামে এক যুবকের সঙ্গে দেখা করতে আসেন। এরপর ঐ নারী তাকে সাভারে বাসা ভাড়া করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানায়। আর সুযোগ পেয়ে ঐ যুবক বাসা ভাড়া করে দেওয়ার কথা বলে ঐ নারীকে নিজের বাসায় নিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় ধর্ষণের বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে হত্যা করে লাশ গুম করারও হুমকি দেয়। এরপর ঐ নারী ভয়ভীতি উপেক্ষা করে রবিবার সাভার মডেল থানায় উপস্থিত হয়ে ধর্ষণকারী সুলতান মিয়াকে প্রধান আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ ঐ রাতেই ব্যাংক টাউন এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সুলতান মিয়াকে আটক করে। সে পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ থানার সরকারপাড়া গ্রামের রুহল আমিনের ছেলে।
অন্যদিকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে বাদশা মিয়া নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার রাতে সাভারের হেমায়েতপুর থেকে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, ১৫ বছর বয়সি ঐ কিশোরীর সঙ্গে বাদশ মিয়ার পরিচয় হয় বছর খানেক আগে। পরে বাদশা মিয়া ঐ কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সাভারের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে। এরপর ঐ কিশোরী তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে সে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায়। এরপর রবিবার রাতে ঐ তরুণী সাভার মডেল থানায় উপস্থিত হয়ে বাদশা মিয়ার নামে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ ঐ রাতেই হেমায়েতপুর থেকে বাদশাকে আটক করে।
সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত সাইফুল ইসলাম জানান, ধর্ষণের শিকার দুই জনকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিক্যালের ক্রাইসিস সেন্টারে এবং গ্রেফতারকৃত দুই জনকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।